পেঁয়াজ বীজ চাষ আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে ফরিদপুরের কৃষকদের । ভারতীয় বীজের ওপর নির্ভরতা কমাতে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন করছেন তারা।
ফরিদপুর সদর উপজেলার অম্বিকাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে মাঠের পর মাঠে সাদা ফুল । দেখতে অনেকটাই কদম ফুলের মতো। এই সাদা ফুল থেকেই কালো সোনা বের হবে কদিন পর। ধান পাট আবাদে লাভ কম হওয়ায় পেঁয়াজ বীজ চাষ করে পুষিয়ে নিচ্ছেন কৃষক।
তারা বলছেন, পেঁয়াজ বীজ চাষ করে অধিক লাভবান হচ্ছে কৃষকরা। আবহাওয়া এবং দাম ভালো থাকলে প্রতি একরে উৎপাদিত পেঁয়াজ বীজ বিক্রি করে ছয় সাত লাখ টাকা আয় করার আশা করছেন কৃষক।
তবে কৃষক জানিয়েছেন, পেঁয়াজ বীজ ফলনে অধিক টাকা লাগায় মাঝে মধ্যেই তাদের হিমশিম খেতে হয়।
বিএডিসি’র প্রকল্পভিত্তিক চাষের কন্টার্ক গ্রোয়ার্স না থাকায় কৃষক আগের মতো পেঁয়াজ বীজের দাম পাচ্ছেন না। বন্ধ হয়ে যাওয়া কন্টার্ক গ্রোয়ার্স প্রকল্পের মতো শিগগিরই আরো একটি প্রকল্প চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
বরিশাল ফরিদপুর জোনের বিএডিসি কন্টার্ক গ্রোয়ার্সের উপ-পরিচালক কে এম মনিরুজ্জামান বলেন, কন্টার্ক গ্রোয়ার্স প্রকল্পের মতো আরো চালু হতে যাচ্ছে ফলে চাষীরা পেঁয়াজ বীজ চাষ করে সুফল ভোগ করতে পারবে।
ফরিদপুরের কৃষক এখন নিড়ানি, সার ও কিটনাশক প্রয়োগ করে পেঁয়াজ বীজের পরিচর্যা করছেন।






