নির্বাচনে জয় পেলেও এখনো সরকারিভাবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসেননি ইমরান খান। তার আগেই পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ডের শীর্ষ পদে তার ‘শিষ্য’ ওয়াসিম আকরাম বসতে পারেন বলে জল্পনা তুঙ্গে।
পিসিবির বর্তমান চেয়ারম্যান নজম শেঠি। তিনি অবশ্য স্থায়ী চেয়ারম্যান নন। এক রকম ডামাডোলের মধ্যদিয়ে চলছে বোর্ড। তাই আকরামকে ভবিষ্যতে চেয়ারম্যান হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। যদিও পিসিবির পুরনো কর্মকর্তারা সেটা মানতে চাইছেন না।
আকরামের পিসিবি প্রধান হওয়ার খবর উড়িয়ে দিয়ে সাবেক প্রধান নির্বাচক সালাউদ্দিন আহমেদ সাল্লু বলেছেন, ‘ইমরানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অনেকেই দেখতে চেয়েছিলেন। সেটা হয়েছে। কিন্তু এর সঙ্গে পিসিবিকে মিশিয়ে ফেললে সেটা ঠিক হবে না। শেঠির নেতৃত্বে পাকিস্তান ক্রিকেট সাফল্য পাচ্ছে।’
সাল্লুর আরো সংযোজন, ‘ইমরানের হাতে অনেক কাজ। তাই মনে হয় না, স্বাধীন একটা সংস্থার দিকে হাত বাড়াবে। সবই গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হবে।’
পিসিবিতে আকরামের নাম উঠে আসার পেছনে অন্যতম কারণ, ইমারন ও আকরাম একই সঙ্গে পাকিস্তানের জাতীয় দলে খেলেছেন। দুজনের দেশের ক্রিকেটের অনেক সাফল্যের নায়ক। তাদের সম্পর্কও দারুণ। নির্বাচনের আগে সাবেক ক্রিকেটারদের মধ্যে আকরামই জোরেসোরে এবং প্রকাশ্যে ইমরানকে সমর্থন করেছেন।
তাছাড়া পাকিস্তানের ক্রিকেট একটা বড় সংকটের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে। ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার টিম বাসে সন্ত্রাসী হামলার পর দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নির্বাসিতই ছিল পাকিস্তানে। সেখানে জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কা ছাড়া কোনো দল সফর করেনি। তাই দেশের ক্রিকেটে পুরনো রং ফেরাতে আকরামের ভাবমূর্তি কাজে লাগাতে চাইবেন ইমরান।
যদিও পাকিস্তান মিডিয়ার দাবি, আকরামের পরিবারের দিক থেকেই এই গুঞ্জন ছড়ানো হচ্ছে।
তবে এটাও সত্যি যে, ইমরানের জয়ে পাকিস্তানের ক্রীড়াঙ্গনে উন্নতি আশা করছেন অনেকেই। যে তালিকায় আছেন, হকি লিডেন্ড ইসলাউদ্দিন সিদ্দিকি, তার ক্রিকেট সতীর্থ জাভেদ মিঁয়াদাদ, জহির আব্বাস, শহিদ আফ্রিদি ও জাহাঙ্গীর খান সহ অনেকে।








