কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পর বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর গ্রেপ্তার প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারকে দেশে ফেরাতে করণীয় নির্ধারণে বৈঠকে বসেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ সোমবার চেয়ারম্যান মঈনউদ্দিন আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে এ বৈঠক শুরু হয়।
দুদক বলছে, ২০১৩ সালের ভারতের সঙ্গে বহিঃসমর্পণ চুক্তির আওতায় দুই দেশ বন্দি বিনিময় করার সুযোগ পাবে। এই আইনি বলেই পিকে হালদারকে ফেরাতে চায় তারা।
এছাড়া পিকে হালদারের বিরুদ্ধে চলামান তদন্ত নতুন করে আরও অর্থ আত্মসাতের তথ্য পেয়েছে দুদক। তদন্তের তথ্য মতে, পিকে হালদার চল্লিশটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, ফাস ফাইন্যান্স ও পিপলস লিজিং থেকে ঋণ করিয়ে আত্মসাত করেন ৬ হাজার ৫শ’ কোটি টাকা।
এরমধ্যে একটি একাউন্টেই ২২৭ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন, আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সহযোগীদের ঋণ দিয়ে তিনি ঘুষ হিসেবে এ টাকা নেন বলে জানায় দুদক।








