টানা বৃষ্টিতে গত এক সপ্তাহে কয়েক দফা ধসের ঘটনায় পাহাড়ে আতঙ্ক বাড়ছে। রাঙামাটিতে এখনো চলছে মানুষের আহাজারি। ত্রাণ যেটুকু মিলছে তাও প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে বাড়ছে সব হারানো মানুষের ভীড়। যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক না হওযায় দুর্ভোগ বাড়ছে। প্রবল বৃষ্টিতে মৌলভীবাজারে টিলা ধসে রেলযোগাযোগ ৩ ঘণ্টা বন্ধ ছিল।
প্রবল বৃষ্টিতে মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের মাগুরছড়া এলাকায় টিলাধসে সিলেটের সাথে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায় সোমবার সকালে। কুলাউড়া স্টেশনে আটকা পড়ে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্ত:নগর কালনী এক্সপ্রেস ভানুগাছ এবং জয়ন্তিকা। পরে ৩ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
রাঙমাটির পাহাড় ধসের ঘটনায় এখনো আতঙ্ক কাটেনি। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৯টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে প্রায় দুই হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। সেখানে ত্রাণ মিললেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়ক এখনো বন্ধ থাকায় দুর্ভোগ বাড়ছে। তবে গত তিন দিন ধরে কাপ্তাই রাঙামাটি নৌ-পথ চালু হওয়ায় কাঁচাবাজার এবং জ্বালানী সরবরাহ কিছুটা স্বভাবিক হয়েছে। ৪ টি বাজার মনিটরিং সেল ও অভিযোগ কেন্দ্র খুলেছে জেলা প্রশাসন।
আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই চট্টগ্রাম রাঙামাটি সড়কে হালকা যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে বলে। তবে ভারী যান চলাচল করতে আরো ১ মাস সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগ।







