জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেট। ৪ জুন পেশ করা বাজেটে কর আয়কর, মূসক এবং আমদানি শুল্কে কয়েকটি পরিবর্তন করেছেন অর্থমন্ত্রী। রপ্তানীকারকদের দাবীর মুখে রপ্তানী আয়ের ওপর উৎসে কর ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে দশমিক ৬ শতাংশ করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আবারো চূড়ান্ত আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, ২০২১ সালের আগেই মধ্য আয়ের দেশ আর ২০৪১ সালে উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছে যাবে বাংলাদেশ।
৪ জুন জাতীয় সংসদে ২ লাখ ৯৫ হাজার ১’শ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী। অবশ্য স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ব্যয় ধরলে আসলে বাজেটের আকার দাড়ায় প্রায় ৩ লাখ কোটি। সোমবার আয়কর, মূল্য সংযোজন কর এবং শুল্কে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন এনে পাস হয়েছে অর্থবিল ২০১৫।
বিদায়ী অর্থবছরের শেষ দিনে ১লা জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া নতুন অর্থবছরের বাজেট পাস করিয়ে নেয়ার রীতি মেনে চলে ছাটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। দিনের শুরুতে ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ এনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের বরাদ্দ কমানোর প্রস্তাব করেন কয়েকজন সংসদ সদস্য।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে অর্থ অপচয়ের অভিযোগ তোলেন কয়েকজন সংসদ সদস্য। তবে মানব উন্নয়নের এ দুই খাতে বরাদ্দ আরো বৃদ্ধির ব্যাপারে একমত হয়েছেন সবাই।
বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ২০১৫-১৬ অর্থবছর। শেষ হবে ২০১৬ সালের ৩০ জুন। ঐ দিন পর্যন্ত সরকারের আয়-ব্যয় চলবে নতুন বাজেটের অধীনে।







