জাতীয় সংসদে কন্ঠভোটে পাস হয়েছে অর্থবিল ২০১৫। প্রস্তাবিত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে কর ও শুল্কে গুরুত্বপূর্ন কয়েকটা পরিবর্তনও গ্রহণ করেছে জাতীয় সংসদ।
রপ্তানী আয়ের উৎসে কর চূড়ান্ত হয়েছে দশমিক ৬ শতাংশ, কর ও শুল্কমুক্ত করা ক্যান্সারের মতো জীবন রক্ষাকারী ঔষধ তৈরীর কাঁচামাল আমদানি, পোল্ট্রি ও মাছ চাষের করমুক্ত আয়ের সীমা ধরা হয়েছে ২০ লাখ টাকা, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতনের ওপর প্রস্তাবিত মূসক ধরা হয়েছে সাড়ে ৭ শতাংশ।
৪ জুন জাতীয় সংসদে ২ লাখ ৯৫ হাজার ১’শ কোটি টাকার বাজেট পেশের পর সবচে বেশি আলোচিত-সমালোচিত ছিলো রপ্তানী আয়ের ওপর উৎসে কর দশমিক ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব। অনুমান কর হয়েছিলো উৎসে কর হার।
প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবে শেষ পর্যন্ত সব ধরনের রপ্তানীতে উৎসে কর হার ঠিক হয়েছে .৬ শতাংশ। সঞ্চয়পত্রের সুদ গড়ে ১ শতাংশ কমানোর বিষয়েও কড়া সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে অর্থমন্ত্রীকে। তবে এখানে কোন পরিবর্তন আসেনি।
প্রধানমন্ত্রীও এ ব্যাপারে কোন অনুরোধ করেননি অর্থমন্ত্রীকে। কাজেই বরাবরের মতো অর্থবিল ২০১৫ তেও বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতনের ওপর মূসক হার ১০শতাংশের বদলে সাড়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে।
ইউনানী ও আর্য়ুবেদীয় ওষুধের মূসক সম্পূর্ন উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। পোল্ট্রি ও মাছ চাষের করমুক্ত আয়ের সীমা ধরা হয়েছে ১০ লাখের বদলে ২০ লাখ।
সিটি কর্পোরেশন এবং জেলা সদরে ই্ংরেজী শিক্ষা মাধ্যমের প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরতদের অভিভাবকের টিআইএন থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ন্যূনতম কর হার ঢাকা ও চট্টগ্রাম নগর এলাকায় ৫ হাজার টাকা, অন্য সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৪ হাজার এবং সারা দেশে ৩ হাজার টাকা চূড়ান্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী।
প্রস্তাবিত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়েছেন ২’শ ১৯ জন সংসদ সদস্য। আলোচনা হয়েছে ৫৭ ঘন্টা।






