এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গতবারের তুলনায় পাশের হার ও জিপিএ-ফাইভ দু’টিই কমেছে। এবার সারাদেশে পাশের হার ৮৭.০৪, গত বছরের চেয়ে ৪.৩ শতাংশ কম। জিপিএ-ফাইভ পেয়েছে ১ লাখ ১১ হাজার ৯০১ জন শিক্ষার্থী, যা গত বছরের চেয়ে ৩০ হাজার ৩৭৫ জন কম।
এবার ঢাকা বোর্ডে পাশের হার ৮৮. ৬৫। যেখানে গত বছর ঢাকা বোর্ডে পাশের হার ছিল ৯৩.৯৪। গতবছরের তুলনায় এই বোর্ড পাশের হার কমেছে ৫.২৯ শতাংশ। চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৮২.৩৭। গত বছর পাশের হার ছিলো ৯১.৪০ শতাংশ। এবছর পাশের হার কমেছে ৯.০৩। আগের বারের তুলনায় জিপিএ-ফাইভ কমেছে ৩ হাজার ৭৬৮ জন। এবার জিপিএ-ফাইভ পেয়েছে ৭ হাজার ১১৬ জন, যেখানে গতবার পেয়েছিলো ১০ হাজার ৮৮৪ জন।
একই ধারা সিলেট শিক্ষা বোর্ডেও। পাশের হার ও জিপিএ-ফাইভ দু’টিই কমেছে সেখানে। গত বছর এ বোর্ড থেকে পাশের হার ছিলো ৮৯.২৩ ও জিপিএ-ফাইভ পেয়েছিলো ৩ হাজার ৩৪১ জন। এবার পাশের হার ৮১.৮২ ও জিপিএ-ফাইভ পেয়েছে ২ হাজার ৪৫২ জন। পাশের হার কমেছে ৭.৪১ শতাংশ। জিপিএ-ফাইভ কমেছে ৮ শত ৮৯ জন।
তবে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ-ফাইভ। গতবার বরিশাল শিক্ষাবোর্ড থেকে পাশের হার ছিলো ৯০.৬৬ এবং জিপিএ-ফাইভ পেয়েছিলো ৪ হাজার ৭৬২ জন। এবার পাশের হার কমেছে ৬.২৯ শতাংশ, কিন্তু জিপিএ-ফাইভ বেড়েছে ৫ হাজার ৪৩৩।
কুমিল্লা বোর্ডে পাশের হারের পাশাপাশি কমেছে জিপিএ-ফাইভ প্রাপ্তদের সংখ্যা। গতবার এই শিক্ষা বোর্ড থেকে পাশের হার ছিলো ৮৯.৯২, জিপিএ-ফাইভ পেয়েছিলেন ১০ হাজার ৯৪৫ জন। এবার সেখানে পাশের হার ৮৪.২২ও জিপিএ-ফাইভ পেয়েছে ১০ হাজার ১৯৫ জন।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার কমেছে গতবারের তুলনায় । আগের বার এই বোর্ড থেকে পাশের হার ছিলো ৯৩.২৬। এবার সেখানে পাশের হার ৮৫.০৫।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ৯৪.৯৭ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাশ করেছে। গত বছর রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার ছিল ৯৬.৩৪। গত বছরের তুলনায় কমেছে ১.৩৭ শতাংশ।
যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাশ করেছে ৮৪.০২ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবার যশোর বোর্ডের ফলাফল তুলনামুলক বেশী খারাপ। গতবছর এই বোর্ডে পাশের হার ছিল ৯২.১৯। গত বছরের তুলনায় পাশের হার কমেছে ৮.১৭ শতাংশ।
মাদ্রাসা বোর্ডে পাশের হার ৯০.০২, জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ১১,৩৩৮ জন।
আর কারিগরি শিক্ষাবোর্ড থেকে ৮৩.০১ শতাংশ শিক্ষার্থী পাশ করেছে, ৩,৯৩২ জন পেয়েছে জিপিএ-ফাইভ।
বিদেশে অবস্থিত এসএসসি কেন্দ্রগুলো থেকে ২৯৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে কৃতকার্য হয়েছে।
এবারের পরীক্ষায় ১৪ লাখ ৭৩ হাজার ৫৯৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। কৃতকার্য হয়েছে ১২ লাখ ৮২ হাজার ৬১৮ জন। পাঁচ হাজার ৯৫ টি স্কুল থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করেছে।







