বহিষ্কৃত যুবলীগ নেত্রী শামিমা নূর পাপিয়ার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগের সত্যতা যাচাই করছে গোয়েন্দা পুলিশ।
শনিবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল বাতেন। এসময় তার কাছে পাপিয়ার রিমান্ড ও জিজ্ঞাসাবাদ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি একথা জানান।
আব্দুল বাতেন বলেন: তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উঠেছে আমরা তা তদন্ত করছি। অভিযোগের সত্যতা এবং ক্রিমিনাল অপরাধগুলো চিহিৃত করছি। বিষয়টি নিয়ে আমরা পরে আপনাদের বিস্তারিত জানাবো।
এর আগে বুধবার রাতে যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামিমা নূর পাপিয়ার বিরুদ্ধে বিমানবন্দর ও শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা তিনটি মামলা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জাল টাকা বহন ও টাকা পাচারের অভিযোগে পাপিয়াসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। বাকিরা হলেন: পাপিয়ার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরী ওরফে মতি সুমন (৩৮), সাব্বির খন্দকার (২৯) ও শেখ তায়্যিবা (২২)।
গ্রেপ্তারের পর রাজধানীর ফার্মগেটের ইন্দিরা রোডে ও নরসিংদীতে বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়িসহ তাদের নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে র্যাব।
অভিযানে ইন্দিরা রোডে পাপিয়ার বাসা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগজিন, ২০ রাউন্ড গুলি, ৫ বোতল বিদেশি মদ, ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা, ৫টি পাসপোর্ট, ৩টি চেক, বেশ কিছু বিদেশি মুদ্রা ও বিভিন্ন ব্যাংকের ১০টি এটিএম কার্ড উদ্ধার করা হয়।
পরদিন ২৩ ফেব্রুয়ারি বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি শেরেবাংলা নগর থানায় অস্ত্র আইনে একটি ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে আরেকটি মামলা করা হয়।







