বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে দিশেহারা বানভাসিরা। বন্যার পানি নেমে গেলেও নতুন করে ঘর তৈরির সামর্থ্য না থাকায় দিশেহারা তারা। সরকারি ও বেসরকারী ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত থাকলেও কোন কাজেই আসছে না এসব পরিবারের।
উত্তরাঞ্চলের বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও রেখে গেছে অসংখ্য ক্ষতচিহ্ন। পানি যতই কমছে ততই জেগে উঠছে ক্ষত চিহ্ন। অনেক এলাকা পরিণত হয়েছে ধংসস্তুপে। দেখে মনে হতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে লন্ডভন্ড করে দিয়েছে সব। কিন্তু এমন ধ্বংসযজ্ঞ বন্যার পানিতে। প্রায় সব বন্যা কবলিত এলাকার চিত্রই এটি।
পানি কমতে থাকায় অনেকেই নিজ বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন। কিন্তু বাড়ি ফিরেই দিশেহারা তারা। বাড়ি-ঘর সংস্কার করে আবার বসবাসের উপযোগী করার সামর্থ্য নেই কারও। কাজ নেই, ঘরে খাবার নেই, ধ্বংসস্তুপে দাঁড়িয়ে ত্রাণের অপেক্ষায় লাখো মানুষ।
সরকারি ও বেসরকারিভাবে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে ঠিকই কিন্তু অনেকেরই তা না পাওয়ার অভিযোগ। অনেক পরিবার এখনও উচু বাঁধ, সড়ক কিংবা অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।
এবারের বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ অবকাঠামো। বিস্তীর্ণ এলাকার বাড়ি-ঘর, রাস্তা ঘাট, ফসলি জমি বন্যার পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। আবারও ঘুরে দাঁড়াতে ত্রাণের পাশাপাশি পুনর্বাসন সহায়তার দাবি বানভাসিদের।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:









