‘পর্যাপ্ত সময়’ না দিয়ে রাজধানীর হাজারীবাগের ট্যানারিগুলোর ইউটিলিটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়ায় চামড়া শিল্পের জন্য অপুরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ ট্যানারি মালিক সমিতির সভাপতি শাহিন আহমেদ।
শনিবার পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ট্যানারিগুলোর ইউটিলিটি (বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি) সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর চ্যানেল আই অনলাইনকে তিনি বলেন: ট্যানারিগুলো বন্ধ করে দেওয়ায় আমাদের আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাবে। বিদেশী ক্রেতাদের অর্ডার অনুযায়ী আমরা সরবরাহ করতে পারবো না। ফলে তারা আমাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।
‘সব মিলে চামড়া শিল্পের জন্য এ এক অপূরণীয় ক্ষতি।’ পাটশিল্পের মতো চামড়া শিল্পও ‘ধ্বংস হয়ে যাবে” বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
পর্যাপ্ত সময় না পাওয়ার অভিযোগ করে শাহিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যেই ৫০টির মত কারখানা সাভারে স্থানান্তর করেছি। সেগুলো ছোট বলে দ্রুতই করা গেছে। কিন্তু বড়গুলো স্থানান্তর করতে সময় প্রয়োজন ছিল।’
শনিবার সকাল থেকে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রইছ উল আলম মণ্ডলের নেতৃত্বে ট্যানারিগুলোর ইউটিলিটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কাজ শুরু হয়। বেলা ১২টা পর্যন্ত ৩০টি চামড়া কারখানার বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে বলে পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিচালক সমর কৃষ্ণ দাস জানিয়েছেন।
অভিযান তদারকি করেন ঢাকা জেলা ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পাঁচজন ম্যাজিস্ট্রেট।
রোববার দুপুর পর্যন্ত এ অভিযান চলবে বলে জানান পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রইছ উল আলম মণ্ডল।








