সফরের সব যখন ঠিকঠাক তখনই খবর, পাকিস্তানে খেলতে যেতে অনিচ্ছুক শ্রীলঙ্কা ওয়ানডে অধিনায়ক দিমুথ করুণারত্মে। চলতি মাসেই ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি সিরিজ খেলতে পাকিস্তান যাওয়ার কথা রয়েছেন লঙ্কানদের।
শ্রীলঙ্কা একটি দৈনিকের খবর, সফর সম্পর্কে করুণারত্নে ইতিমধ্যে তার আশঙ্কা শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটকে (এসএলসি) জানিয়ে দিয়েছেন। শ্রীলঙ্কা টি-টুয়েন্টি অধিনায়ক লাসিথ মালিঙ্গাও করুণারত্নের পথ অনুসরণ করবেন এবং সফর থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে পারেন।
পত্রিকাটি আরও দাবি করেছে যে, এসএলসি সিনিয়র খেলোয়াড়দের সাথে পরামর্শ না করেই পাকিস্তান সফরের অনুমোদন দিয়েছে। শ্রীলঙ্কার খেলোয়াড়রা এই সফরের সময়কাল নিয়ে উদ্বিগ্ন, কারণ গত এক দশক থেকে পাকিস্তানের মাটিতে আর কোনো আন্তর্জাতিক দল এত দীর্ঘ সময় অবস্থান করেনি। ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কা দলের গাড়ি বহরে সন্ত্রাসী হামলার পর দীর্ঘদিন সেখানে সফরে যায়নি কোনো দল।
কিন্তু পিসিবির কাছে ঋণ শোধ করতে চায় এসএলসি। কারণ, সম্প্রতি কলম্বোতে সিরিজ হামলার পর সেখানে অনূর্ধ্ব-১৯ দল পাঠিয়ে শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়ায় পাকিস্তান দল।
অন্যদিকে, এসএলসি কর্মকর্তারা আত্মবিশ্বাসী যে তারা খেলোয়াড়দের পাকিস্তান সফরের জন্য বোঝাতে সক্ষম হবেন এবং এই বিষয়ে খেলোয়াড়দের উদ্বেগ শোনার জন্য ৯ সেপ্টেম্বর একটি বৈঠকে বসবে তারা।
শ্রীলঙ্কার ক্রীড়ামন্ত্রী হারিন ফার্নান্ডোও খেলোয়াড়দের আশ্বাস দিয়েছেন যে, এই সফর নিয়ে তাদের ভয় কমিয়ে আনতে তিনি নিজেই তাদের সাথে পাকিস্তান সফর করবেন।
এর আগে পিসিবি এবং এসএলসি পাকিস্তানে দ্বিপাক্ষিক সিরিজের ম্যাচগুলোর সময়সূচী ঘোষণা দেয়। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে এবং টেস্ট ম্যাচ হবে ডিসেম্বরে।
পিসিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরের শেষের দিকে শ্রীলঙ্কা তিনটি ওয়ানডে এবং তিনটি টি-টুয়েন্টিতে ম্যাচের আগে অক্টোবরে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দুটি ম্যাচের জন্য শ্রীলঙ্কাকে পাকিস্তানে স্বাগত জানানো হয়েছিল। কিন্তু পিসিবি চেয়ারম্যান এহসান মানি এবং এসএলসি সভাপতি শাম্মি সিলভার মধ্যে ফোনালাপের পর ম্যাচে অদলবদলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।








