দেশর দুই শীর্ষ মানবতাবিরোধী অপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় পাকিস্তানের সঙ্গে সবধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি জানিয়েছে গণজাগরণ মঞ্চ।
সোমবার জামায়াতের ডাকা হরতালকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে তার প্রতিবাদে মিছিল-সমাবেশে এ দাবি করেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার।
সমাবেশ থেকে জামায়াত নিষিদ্ধের পাশাপাশি তাদের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার দাবিও জানানো হয়।
আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকরের প্রতিবাদে জামায়াতের ডাকা হরতালের বিরুদ্ধে গণজাগরণ মঞ্চ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে।
মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার বলেন, পাকিস্তান যে ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছে আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাই। দেশটি যদি এই অবস্থান অব্যাহত রাখলে তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যসহ সব ধরনের সম্পর্ক স্থগিত করতে হবে। আমরা সরকারের কাছে এই দাবি জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, পাকিস্তান যাতে এই ধরনের বক্তব্য না দেয় সেজন্য তাদের কড়া ভাষায় হুঁশিয়ার করে দেয়া হোক। না আমরা আবারও ঢাকাস্থ পাকিস্তানা দূতাবাস ঘেরাও করে তাদের স্বাভাবিক চলাফেরা বন্ধ করে দেবো।
আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে বারবার হরতাল ডেকে আদালত অবমাননা করছে জামায়াত। দলটিকে অবিলম্বে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে ইমরান এইচ সরকার বলেন, এই সংগঠনটি দেশের কোনো আইন-কানুন মানে না। তাই তাদের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তা জনগণের সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করা হোক।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে করে গণজাগরণ মঞ্চ।
শনিবার দিবাগত রাতে দুই যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির পর পাকিস্তান ফরেন অ্যাফেয়ার্সের ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুজাহিদের ‘অনাকাঙ্খিত’ ফাঁসির বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। পাকিস্তান এ ধরণের কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ।
এই ঘটনায় বাংলাদেশে পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে সোমবার দুপুরে দেখা করতে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।







