চলতি আইপিএলে বুলেট গতির বল ছুঁড়ে ব্যাটারদের ত্রাস হয়ে উঠেছেন জম্মু-কাশ্মীরে বেড়ে ওঠা তরুণ ক্রিকেটার উমরান মালিক। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ পেসারকে নিয়ে ভারতীয়দের মতো প্রশংসায় পঞ্চমুখ পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটাররাও। গতির ঝড় তুলতে পারা দেশটির সাবেক পেসার শোয়েব আকতারই যেমন, তার চাওয়া গতিতে উমরান ছাড়িয়ে যাক তাকে।
দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ঘণ্টায় ১৫৭ কিমি. গতিতে উমরানের ছোঁড়া বল রীতিমত হইচই ফেলে দিয়েছে। আইপিএলের সবচেয়ে দ্রুতগতির বলও এটিই। চলতি আসরে হায়দরাবাদের হয়ে টানা আলো ছড়িয়ে চলেছেন ২২ বর্ষী উদীয়মান তারকা। যাকে আগামীদিনে ভারত জার্সিতে দেখতে মুখিয়ে আছেন সাবেকরা।
প্রথমবার আইপিএলে খেলতে নামা উমরান ১২ ম্যাচে ২২ গড়ে ১৮ উইকেট তুলেছেন। তাকে নিয়ে আলোচনার মূল কারণ অবশ্য গতির ঝড় তুলতে পারা। ঘণ্টায় টানা ১৫০ কিমি-র উপর গতিতে বল করে যেতে পারেন। উমরানকে নিয়ে তাই উচ্চাভিলাসী পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব।
‘আমি তার দীর্ঘ ক্যারিয়ার দেখতে চাই। কিছুদিন আগেও, সবাই আমাকে অভিনন্দন জানাচ্ছিল, কারণ আমার দ্রুততম সেই ডেলিভারির ২০ বছর হয়েছে। কিন্তু কেউ রেকর্ডটি ভাঙতে পারেনি। অবশ্যই সে এই রেকর্ডটি ভেঙে ফেলতে পারে। সে রেকর্ডটি ভেঙে ফেললে খুশি হবো। তবে তাকে নিশ্চিত করতে হবে যেন চোটে না পড়ে।’
২০০৩ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইতিহাসের প্রথম বোলার হিসেবে ঘণ্টায় ১৬১.৩ কিমি. বেগে বল করে বিশ্বমঞ্চে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন শোয়েব। যা এখনও ভাঙতে পারেননি কেউ। তবে উমরানকে নিয়ে আশাবাদী পাকিস্তান সাবেক।
‘তাকে বিশ্বমঞ্চে দেখতে চাই। বর্তমানে খুব বেশি ক্রিকেটার নেই যারা ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার সীমা অতিক্রম করতে পারে। উমরান সেই গতিতে ধারাবাহিকভাবে বোলিং করছে। তাকে তাই শত মাইল বেগে দেখতে চাই।’
দারুণ বোলিংয়ে মুগ্ধতা ছড়ানো উমরানকে বিশ্বমঞ্চে দেখতে অধীর আগ্রহে বসে আছেন পাকিস্তানের আরেক ক্রিকেটার কামরান আকমলও।
‘যদি উমরান পাকিস্তানে থাকতেন, তবে জাতীয় দলে জায়গা করে নিতে পারতেন। অস্ট্রেলিয়ায় তার গতি গুরুত্বপূর্ণ হবে। শামি, বুমরাহ, ভূবনেশ্বর কুমারের সাথে উমরান যোগ হলে এমন আক্রমণের মুখোমুখি হওয়া কঠিনই হবে। উমরানকে যখনই দেখেছি, তার বোলিংয়ের গতি চার্ট দেখায় ১৫৫, ১৫৪ কিমি ঘণ্টায়। এরচেয়ে কম হয় না। তাকে দলে নেয়া তাই সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত হবে।’








