বাঙালীর গর্বের, গৌরবের মাস মার্চ। এই মাসেই ঘোষিত হয় বাঙালীর স্বাধীনতা, বাংলাদেশ নামের একটি নতুন দেশের স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধুর ডাকে বাঙালী ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তির মরণপণ লড়াইয়ে। স্মৃতির মণিকোঠা থেকে ১৯৭১ এর মার্চের সেই দিনগুলোকে সবার কাছে তুলে ধরতে চ্যানেল আই সংবাদের আয়োজন, উত্তাল মার্চের এই দিনে।
পাকিস্তানিরা বুঝে গিয়েছিলো তাদের নির্দেশ আর মানবে না বাঙ্গালী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানও বুঝে গিয়েছিলেন আক্রমণের জন্য যে কোন অজুহাতই লুফে নেবে পাকিস্তানিরা। আর তাই ৭ মার্চের ভাষণের পর থেকে কখনও প্রত্যক্ষভাবে আবারও কখনও পরোক্ষভাবে লড়াইয়ের প্রস্তুতির নির্দেশ দিচ্ছিলেন বঙ্গবন্ধু।
বীরবিক্রম হেমায়েত উদ্দিন আহমদ বলেন, আমি সাড়ে তিনশ নিয়মিত বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আমি মোট সাড়ে তিন হাজার ছেলেকে ট্রেনিং দিয়েছি।
এদিনও বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ অব্যাহত থাকে ঢাকাসহ বাংলার বিভিন্ন শহরে। পাড়া মহল্লা, অলিগলিতে গ্রামগঞ্জেও চলে সভা সমাবেশ। সশস্ত্র সংগ্রামের প্রস্তুত হতে থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করতে থাকে তারা।
হেমায়েত উদ্দিন বলেন, আমি জয়দেবপুর থেকে অস্ত্রাগার লুট করে অস্ত্র নিয়ে পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে ফরিদপুর পুলিশ লাইন দখল করি। যাওয়ার সময় পথে পথে আরো যুদ্ধ করেছি।
এদিন অসহযোগ আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে পূর্ব বাংলার সব সিনেমা হল বন্ধ রাখেন মালিক ও ব্যবস্থাপকরা।







