ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ভারতকে জয়ের জন্য ৮৪ রানের মামুলি টার্গেট দিয়েছে পাকিস্তান। পাকদের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৫ রান আসে সরফরাজ আহমেদের ব্যাট থেকে। ভারতীয় বোলারদের দাপটের দিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৫ রান আসে অতিরিক্ত থেকে। অলআউট হওয়ার আগে প্রথম ওভার থেকেই পাকিস্তানী ব্যাটসম্যানরা শুধু আসা যাওয়ার মধ্যে থেকেছে।
টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই মোহাম্মদ হাফিজকে ফিরিয়ে ভারতকে সাফল্য এনে দিয়েছেন পেসার আশিস নেহরা। উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা ধোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে তিনি চার বল খেলে সংগ্রহ করেন ৪ রান।
এরপর থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। মাত্র ৭০ রানের মধ্যে ৮ উইকেট হারিয়ে টি২০ তে নিজেদের সর্বনিম্ন রানে আউট হওয়ার শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান।
২০১২ সালের ১০ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৭৪ রানে আউট হয়েছিলো পাকিস্তান। এখন পর্যন্ত টি২০তে ওটাই পাকিস্তানের সর্বনিম্ম স্কোর।
সারজিল খানকে ফিরিয়ে ভারতকে দ্বিতীয় সাফল্য এনেদেন জাসপ্রিত বুমরাহ। ফাস্ট স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা রাহানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে তিনি সংগ্রহ করেন ৭ রান।
ষষ্ঠ ওভারে উইকেটের মাঝে ভুল শোয়েব মালিকের সঙ্গে বোঝাবুঝির শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন খুররম মনজুর। ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। ফেরার আগে খুররম ১৮ বল খেলে সংগ্রহ করেন ১০ রান।
৩ রান বাদে শোয়েব মালিক এবং উমর আকমল দু’জনই প্যাভিলিয়নের পথ ধরলে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। হার্দিক পান্ডের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শোয়েব। আর উমর ফেরেন যুবরাজ সিংয়ের বলে এলবিডাব্লিউয়ের শিকার হয়ে।
অষ্টম ওভারের শেষ বলে রান আউটের শিকার হয়ে আফ্রিদিও ফিরে গেলে টি২০ সংস্করণে সর্বনিম্ন স্কোরের শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান।
ওহাব রিয়াজকে ফিরিয়ে নিজের প্রথম উইকেট তুলে নিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৪ রান। এরপরের ব্যাটসম্যানরাও আসা যাওয়ার মধ্যে থাকলে শেষ পর্যন্ত সরফরাজ আহমেদের ২৫ রানের ওপর ভর লড়াইয়ের পুঁজি পায় পাকিস্তান।
২২ বল বাকি থাকতেই ৮৩ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান।






