ঘরের মাটিতে জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে ভারত। ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর এবার জিতে নিয়েছে টি-টুয়েন্টি সিরিজও। এক ম্যাচ হাতে রেখে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ রানে হারিয়ে ২-০তে সিরিজ জিতেছে রোহিত শর্মার দল।
কলকাতায় টসে জিতে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে পাঠায় উইন্ডিজ অধিনায়ক কাইরেন পোলার্ড। শুরুতে ওপেনার ঈশান কিশানের উইকেট হারালেও শুরুর চাপ সামাল দেন বিরাট কোহলি। ১৯ করে অধিনায়ক ফিরে গেলেও ৪১ বলে ফিফটি তুলে কোহলি আউট হওয়ার আগে খেলেন ৫২ রানের ইনিংস।
শেষ দিকে রিশভ পান্ট ও ভেঙ্কটেশ আয়ার কিছুটা মারমুখী হলে লড়াই করার পুঁজি পেয়ে যায় ভারত। ২৮ বলে ৫২ রানে অপরাজিত ছিলেন পান্ট। আয়ারের ব্যাট থেকে আসে ১৮ বলে ৩৩ রান। ভারতীয়দের সংগ্রহ দাড়ায় ৫ উইকেটে ১৮৬ রান।
উইন্ডিজ বোলার রোস্টন চেজ ফিরিয়েছেন ভারতীয় ৩ ব্যাটারকে।
জবাবে উইন্ডিজ দুই ওপেনার ব্রান্ডন কিং-কাইল মায়র্স কিছুটা দৃঢ় গতির ইনিংস খেললে পরে আর তা পুষয়ে নেয়া যায়নি। কিংয়ের ব্যাট থেকে আসে ৩০ বলে ২২ রান। মায়ার্স করেন ১০ বলে ৯ রান। এরপর নিকোলাস পুরান ও রোভম্যান পাওয়েল জয়ের লক্ষ্যে ছুটেন। ৪১ বলে ৬২ করে পুরান ফিরে গেলে ম্যাচ কঠিন হয়ে পরে। অপর প্রান্তে আক্রমণাত্মক ব্যাট চালালেও পাওয়েল দলকে জয়ে এনে দিতে পারে নি। পাওয়েল ৫ ছক্কা ও ৪ চারে ৩৬ বলে ৬৮ করে অপরাজিত ছিলেন। এরপরও ম্যাচ শেষে ৮ রানের পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে উইন্ডিজদের।
ভারতীয় বোলারদের মধ্যে রবি বিষ্ণই, চাহাল, ভূবেনেশ্বর কুমার তুলেছেন এক উইকেট।
ম্যাচ শেষে পান্টের মুখে তায় পাওয়েল বন্দনা ছিল। আইপিএলে দু-জনই দিল্লির হয়ে মাঠে নামবেন বলে তাকে নিয়ে আশাবাদী পান্ট।
‘ সে বুলেটের গতিতে ব্যাট চালায়। সে আমাদের ভয় ধরিয়ে দিলেও আমি ভেতরে ভেতরে কিছুটা খুশি ছিলাম এটা ভেবে যে, আইপিএলে সে আমার সতীর্থ হয়ে মাঠে নামবে।
‘দলের প্রয়োজনে যে কোনও জায়গায় ব্যাট করতে আমি প্রস্তুত। দল যদি মনে করে আমাকে আরো আগে নামানো উচিত তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। আমি বল বাই বল খেলার চেষ্টা করেছি। তাতেই সাফল্য এসেছে। তবে দীর্ঘ দিন বায়ো-বাবলে থেকে ম্যাচ খেলা সবার জন্যই কঠিন।’
ভারতীয়দের পরের ম্যাচ আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি।








