ইডেন টেস্টের আগে সিদ্ধান্ত হয়েছিল টস জিতলে ফিল্ডিং নেয়ার! কিন্তু অধিনায়ক মুমিনুল হক নিয়েছেন ব্যাটিং। যা দেখে অবাক বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান। করেছেন সিদ্ধান্তের সমালোচনা। সোয়া দুইদিনের মধ্যে টেস্ট হারার পর মুমিনুল বললেন, পরে ব্যাটিং করলেও ফলটা হতো একই।
ইন্দোর আর ইডেন, দুই টেস্টেই বাংলাদেশের ফলাফল ভীষণরকম মিল। দুম্যাচেই হার ইনিংস ব্যবধানে। ইন্দোরে ম্যাচ তৃতীয় দিনের শেষ সেশন পর্যন্ত গড়িয়েছিল। ইডেনে খেলা শেষ প্রথম সেশনেই। প্রথম ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে বাংলাদেশ তোলে ১৫০, পরের ম্যাচে ১০৬। তাতে ভারতীয় পেসারদের সামনে কাঁপাকাঁপি এতটুকুও কমেনি। ইডেনে যেন আরও বরং বেড়েছে।
ম্যাচ শেষে আগে ব্যাটিং করা নিয়ে কথা বলেছেন মুমিনুল। জানালেন, উইকেট দেখে আগে-পরে ব্যাটিং করার যুক্তি খুঁজে পাননি। ভারতীয় বোলারদের সামনে পরে ব্যাটিং করলেও ফলটা একই হতো বলে মত তার, ‘যখন আমরা উইকেট দেখলাম, ভাবলাম পরে ব্যাটিং করলেও ফলটা একই হবে। পরে ব্যাটিং করলে আসলে ফলাফলে খুব বড় একটা পার্থক্য হতো না।’
আগের ম্যাচের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে পরের ম্যাচে শোধরানোর কথা বলেছিলেন অধিনায়ক। সেই ভুলের একটি ছিল নিজেদের সামর্থ্যের কথা ভেবে অন্তত পরে ব্যাটিং করার। অপরিচিত গোলাপি বল আর ইডেনের নতুন উইকেট দেখে বোর্ড প্রধানের সঙ্গে ম্যাচের আগের রাতে কোচ-অধিনায়কের সিদ্ধান্ত ছিল টস জিতলে ফিল্ডিং নেয়ার। কিন্তু টসের পর সিদ্ধান্ত কেনো পাল্টে গেল তা নিয়ে এখন কৌতূহল।
হারের পেছনে কারণ হিসেবে দুদলের পার্থক্যকে সামনে টেনে এনেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তুলে ধরেন গোলাপি বলে নিজেদের ব্যর্থতার ফিরিস্তি, ‘দুই দলের পার্থক্য একটা বিশাল বড় বিষয়। আমরা এ দুই ম্যাচ থেকে শিখেছি এবং চেষ্টা করবো পরের ম্যাচে তা প্রয়োগের। গোলাপি বলে খেলাটা ছিল চ্যালেঞ্জের। কিন্তু আমরা তা নিতে ব্যর্থ হয়েছি।’
‘হেরেছি ঠিক আছে, তবে আমরা এই ম্যাচ থেকেও ইতিবাচকতা খুঁজে পেয়েছি। ইবাদত ভালো বল করেছে, রিয়াদ ভাই, মুশফিক ভাই ভালো ব্যাটিং করেছেন।’








