পুরোদমে এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ। প্রকল্প পরিচালক বলছেন, ইতোমধ্যে সেতুর ৩৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এবছর ডিসেম্বরের মধ্যে মূল সেতুর দু’টি পিলার দৃশ্যমান হবে বলে সেতু বিভাগের আশা।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দৃশ্যমান হচ্ছে দেশের দক্ষিণাঞ্চেলের সাথে সংযোগ স্থাপনকারী পদ্মা সেতুর কাজ। মাওয়া পয়েন্টের ওয়ার্কশপে এখন চলছে সেতুর ওপরে স্থাপনের জন্য নির্মিত স্প্যান জোড়া লাগানোর কাজ। মোট ৪১টি স্প্যানে তৈরি হবে মুল সেতু।
ওয়ার্কশপে যখন স্টিল স্ট্রাকচার জোড়া লেগে স্প্যান তৈরি হচ্ছে, সে সময় চলমান রয়েছে মাঝ পদ্মায় মূল সেতুর পাঁচটি পিলার নির্মাণের কাজ।
পদ্মা সেতু প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, ৩০ থেকে ৪০ টন ওজনের একেকটা অংশকে চীনে তৈরি করে নিয়ে আসা হচ্ছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত একটা স্প্যানের মোট ১২৯টি অংশ চলে এসেছে।
এগুলো জোড়া দিলে দেড়শ’ মিটার লম্বা একটি স্প্যান হবে। এরকম ৪১টি স্প্যান হবে।
এই সুবিধার জন্যই আংশিক নির্মাণকাজ চীনে করিয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এখন পর্যন্ত মুল সেতুর প্রায় ৩৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ।
পুরোদমে এগিয়ে চলছে নদী শাসনের কাজও। সবচেয়ে বেশি এগিয়েছে বহুমুখী এ সেতুর দু’পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণের কাজ। এক্ষেত্রে মাওয়া পয়েন্টের কাজ প্রায় শেষ। জাজিরা পয়েন্টে বাকী আছে মাত্র ২০ শতাংশ।
শফিকুল ইসলাম বলেন, মাওয়া পয়েন্টের কাজ বাস্তবিকভাবে ১শ’ ভাগই হয়ে গেছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ৯২/৯৩ শতাংশ শেষ হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। আর অপর পাড়ের কাজ শেষ হয়েছে ৭৪ শতাংশ।
এখন যে গতিতে এগোচ্ছে তাতে সময়মতোই কাজ শেষ করা যাবে বলে মনে করেন প্রকল্প পরিচালক। সময় এবং অর্থ কোনোটাই কম পড়ার সম্ভাবনা নেই।
মূল সেতু ও পুনর্বাসনের জন্য জমি অধিগ্রহণ শেষ হয়েছে আরও আগে। পুনর্বাসনের কাজ কিছু বাকি থাকলেও নির্ধারিত সময়ে, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে পুরোপুরি দৃশ্যমান হবে বহুল আকাঙ্ক্ষিত এই পদ্মা সেতু।
দু’পাশের সংযোগ লাইন হলে একই সময়ে রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে দেশের দক্ষিণের জেলাগুলোর সাথে।








