কানাডার আদালতে পদ্মাসেতু ষড়যন্ত্র মামলা বাতিল হওয়ার পর বিশ্বব্যাংকের প্রতিক্রিয়া জানতে কানাডাভিত্তিক বাংলা পত্রিকা নতুনদেশ ডটকমের পক্ষ থেকে ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তরে যোগাযোগের বলা হয়েছে, ‘বিশ্বব্যাংকের নিয়মানুযায়ী কোন দেশের প্রচলিত আইনের লংঘন হয়েছে কিনা তা নির্ধারণ করতে তদন্ত প্রতিবেদন ভাগাভাগি করা হয়।’
“বিশ্বব্যাংকের পাঠানো প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট দেশ কীভাবে পদক্ষেপ নেবে তা ওই দেশের নিজস্ব বিষয়।”
গত ১১ ফেব্রুয়ারি পাঠানো ইমেইলের জবাবে ফিরতি ইমেইলে বিশ্বব্যাংকের পক্ষে সিনিয়র যোগাযোগ কর্মকর্তা ইয়োকো কোবায়শি বলেছেন, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত যে কোনো প্রকল্পে দুর্নীতি বা প্রতারণার অভিযোগ উঠলে বিশ্বব্যাংক তা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনায় নেয়। কোন দেশের প্রচলিত আইনের লংঘন হয়েছে কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য তদন্তে পাওয়া তথ্য সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ভাগাভাগি করা হয়।
বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে কলঙ্কিত করায় দেশটির জনগণের আবেগের প্রতি সম্মান দেখিয়ে ক্ষমা চেয়ে বিশ্বব্যাংক কোনো বিবৃতি দেবে কিনা- এমন প্রশ্নের সরাসরি জবাবে না দিয়ে কোবায়শি বিশ্বব্যাংকের ওয়েবসাইটে থাকা ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসের একটি বিজ্ঞপ্তির লিংক পাঠিয়ে বলেন, এ বিষয়ে এই মুহূর্তে এর বাইরে কিছু তার জানানোর নেই।
২০১৩ সালের ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটিতে এসএনসি লাভালিন ও তার সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ১০ বছরের জন্য ব্যাংকের প্রকল্পে নিষিদ্ধ ঘোষণার খবর দেয়া হয়। এতে আরও কয়েকটি দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশের পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির কথাও উল্লেখ করা আছে।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি পদ্মাসেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্র থাকার ব্যাপারে বিশ্বব্যাংকের অভিযোগের কোনো প্রমাণ না পেয়ে মামলাটি বাতিল করে দেয় কানাডার আদালত।
সেতু প্রকল্পের কাজ তদারকি বিষয়ে পাঁচ কোটি ডলারের কাজ পাওয়ার উদ্দেশ্যে এসএনসি-লাভালিনের কর্মীরা ২০১০ ও ২০১১ সালে বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের ঘুষ দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন–এমন অভিযোগ তুলেই ঋণ বাতিল করে দেয় বিশ্বব্যাংক।








