চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ কর হয়েছে ৩৯ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৯শ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন।
এ বছর প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩২ হাজার ৬৮৯ কোটি ডলার, যা মোট রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার ৮৩ দশমিক ৮২ শতাংশ। বাকি রপ্তানি আয় ধরা হয়েছে অন্যান্য খাত থেকে।
বিশ্ব পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বুঝে রপ্তানির এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রপ্তানির এই লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
পণ্য রপ্তানি ছাড়াও সেবা খাতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৬০০ কোটি ডলার। সেই হিসেবে চলতি অর্থবছরের জন্য মোট ৪৩ হাজার ৬০০ কোটি ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে মোট পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৭৫০ কোটি বা ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। আর এবার ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৯ কোটি ডলার। সেই হিসাবে এবার এই লক্ষ্যমাত্রা দেড় হাজার কোটি ডলার বেশি ধরা হয়েছে।
গত অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি ও সেবা খাতের আয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪১ বিলিয়ন বা ৪ হাজার ১শ কোটি ডলার। লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে ৪০ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার।
তিনি বলেন: রপ্তানির এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২১ সালে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি ৬০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য সচিব শুভাশিষ বসু, এফবিসিসিআই’র সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিজিএমইএ’র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।








