সিরিয়ার উত্তরে কুর্দি যোদ্ধাদের অবস্থানে ভারী গোলাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে তুরস্কের সেনাবাহিনী। অন্যদিকে রাশিয়া স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে বিদ্রোহী অবস্থানগুলোতে বোমা হামলা চালিয়ে যাবে তারা। পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করায় উদ্বেগ জানিয়েছে ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সপ্তাহ খানেক আগে রুশ বিমান হামলার সহায়তায় তুরস্ক সীমান্তবর্তী মেনাঘ বিমান ঘাঁটির দখল নেয় ওয়াইপিজি মিলিশিয়ারা। সেখান থেকে তাদের উৎখাত করতে শনিবার থেকে তুরস্ক কুর্দি মিলিশিয়াদের ওপর গোলাবর্ষণ শুরু করে।
সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে তুরস্কের এই হামলা পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে। কুর্দি ওয়াই পিজি মিলিয়াদের উপর হামলা করলেও তারা সেখান থেকে সরে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে সিরিয়া তুরস্কের ওই হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং তুরস্কের গোলাবর্ষণকে তারা বিদ্রোহীদের সরাসরি সমর্থন করা হিসেবে বিবেচনা করছে। ফ্রান্স উভয় পক্ষকে গোলাবর্ষণ বন্ধ করে মিউনিখের যুদ্ধবিরতি আলোচনা বাস্তবায়নের উপর জোর দিয়েছে।
রুশ বিমান বাহিনীর সহায়তায় সম্প্রতি সিরিয়ার সেনাবাহিনী বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত বেশ কয়েকটি এলাকায় পুনরায় দখল ফিরে পেয়েছে। রুশ বিমান বাহিনীর সহায়তায় যুদ্ধে নিজের অবস্থান আবারো শক্ত করতে শুরু করেছে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ।
যদিও বিশ্বশক্তিগুলো রশিয়াকে সিরিয়ায় হস্তক্ষেপ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে আসছে। এ সপ্তাহে মিউনিখে হওয়া সিরিয়া বিষয়ক চুক্তি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ফোনালাপ হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেন বিমান হামলা বন্ধ করে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদকে সরিয়ে দিতে একটি মাত্র ফোন কল করলেই এই যুদ্ধ বন্ধ হয়ে যাবে।






