ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আগে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইসি বলেছে, আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কোনো দলের প্রতি পক্ষপাত করলে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।
রোববার মধ্যরাতেই শেষ প্রথম দফার ৭শ ২১টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সব ধরনের প্রচার। নির্বাচনকে সুষ্ঠু এবং সহিংসতামুক্ত করতে সকাল থেকেই নির্বাাচনী এলাকাগুলোতে স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে নেমেছে বিজিবি এবং কোস্টগার্ড।
এছাড়াও নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে পুলিশ, র্যাব, আনসার, ভিডিপিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১ লাখ ৮০ হাজার সদস্য। প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে তৃণমূলের নির্বাচনকে সব অনিয়মের ঊর্ধ্বে রাখতে আইনশৃংঙ্খলা বাহিনীকে পেশাদারী মনোভাব দেখাতে বলেছেন নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্ক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপরে নির্দেশনা হলো কেউ কোনো অঘটন ঘটানোর চেষ্টা করলে কোনোরকম ছাড় দেওয়া হবে না। যদি ছাড় দেওয়া হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও আমরা ব্যবস্থা নিবো।
নির্বাচনী কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করার ঘটনা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলেও সতর্ক করে দিয়েছেন মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ। বলেছেন, এখানে কম্প্রোমাইজের কোনো রকম প্রশ্নই উঠেনা। এখানে ভোটগ্রহণকারী কোনো কর্মকর্তা কর্মচারীদের উপর কোনো ধরনের হামলা বা জোড়পূর্বক কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হলে সাথে সাথেই আমরা এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবো। এবং আমরা তাদের আশ্বস্ত করতে চাই, তারা যেন নির্দ্বিধায় তাদের সুবিধা-অসুবিধাগুলো আমাদেরকে জানায়। তারা যেন সবকিছু মুখবুজে সহ্য না করে।
প্রথম দফার ৭২১টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬০৪টি ইউনিয়নে স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে আছে বিজিবি আর বাকি ১শ ১৩টি ইউনিয়নে কোস্টগার্ড।






