নৌকায় ভোট চাওয়া আমার রাজনৈতিক অধিকার দাবি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন: আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে আমি নৌকায় ভোট চাইবো। এটা আমার রাজনৈতিক অধিকার। বর্তমান সরকারের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বিএনপির উদ্দেশ্য করে বলেন, যারা উন্নতি চায় না তাদের চোখেই উন্নতি ধরা পড়ে না।
শনিবার সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন: রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিএনপি তাদের আখের গুছিয়েছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের লক্ষ্য ঠিক রেখে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণের কারণেই দেশের উন্নতি হচ্ছে।
৭৫এ বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার মধ্যদিয়ে আবারও স্বাধীনতা বিরোধীরা ক্ষমতায় আসে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন: বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী করা হলো, এদেশের ক্ষমতা তুলে দেওয়া হলো তাদের হাতে। এই ধারাবাহিকতা আমরা ৭৫ পরবর্তী সময়ে দেখেছি। খালেদা জিয়া, এরশাদ সকলেই একই এজেণ্ডা বাস্তবায়নে কাজ করেছে।
এমনকি যে যুদ্ধাপরাধী দণ্ড প্রাপ্ত তাকেও মন্ত্রী করার নজির আছে। মন্ত্রী করা হয়েছে, দেশের পতাকা তুলে দেওয়া হয়েছে। যারা এ দেশের মানুষকে হত্যা করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে, মা বোনের ওপর পাশবিক অত্যাচার চালিয়েছে, পাকিস্তানী হানাদারদের হাতে তুলে দিয়েছে তাদের ক্ষমতায় বসানো হয়েছিলো।
একটা সময় বাংলাদেশ অভিশপ্ত দেশে পরিণত হয়েছিলো বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
২১ বছর পর এসে ১৯৯৬ সালে এসে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসে। সরকার গঠন করে। জনগণ সরকারের সুফল পেতে শুরু করে। যখন অনেক চড়াই উতরাই পার হয়ে সরকার দেশকে উন্নতির দিকে নিয়ে যাচ্ছিলো ২০০১’র নির্বাচনে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হলো না।
আওয়ামী লীগ ছাড়া এখন পর্যন্ত যারাই ক্ষমতায় এসেছিলো কেউই চায়নি বাংলাদেশ উন্নতি করুক। ২০০৮ সালে আবারও ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। ২০১৪ সালে আবারও ভোটের মধ্যদিয়ে টানা দ্বিতীয় বারের মতো ক্ষমতায় আসি আমরা। এখন বাস্তব সম্মত পরিকল্পনায় দেশ উন্নত ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে।







