নোয়াখালীর সরকারি বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে শিক্ষক সংকটে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। স্কুলগুলোতে মান সম্মত লেখাপড়া না হওয়ায় কোচিং আর প্রাইভেট টিউশনের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
নোয়াখালীর সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে এখন শিক্ষক সংকট প্রকট। জেলায় ২৯০টি স্কুল রয়েছে। সরকারি ১২টি স্কুলে শিক্ষক থাকার কথা ২৭৪ জন। বর্তমানে আছে ১৭০ জন। এর মধ্যে হাতিয়া, সেনবাগ, বেগমগঞ্জ ও সোনাইমুড়ি উপজেলার অনেক স্কুল চলছে মাত্র ২ থেকে ৪ জন শিক্ষক দিয়ে। শিক্ষক সংকটের কারণে পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় ফলের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারছে না স্কুলগুলো।
স্বল্প সংখ্যক শিক্ষকের উপর পড়ছে বাড়তি ক্লাসের চাপ। নির্দিষ্ট বিষয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় মানসম্পন্ন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। কোচিং সেন্টার আর প্রাইভেট টিউশনই ভরসা তাদের।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, ২০১২ সালে সহকারি শিক্ষকদের ২য় শ্রেনী পদমর্যাদা ঘোষণার পরই নতুন করে শিক্ষক নিয়োগে জটিলতা শুরু হয়েছে।
সরকারি মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে ২০১২ সাল থেকে বন্ধ আছে নতুন শিক্ষক নিয়োগ। আর বেসরকারি স্কুলগুলোতে শিক্ষক নিয়োগে চলছে ধীর গতি।
বিস্তারিত দেখুন নোয়াখালি থেকে আলাউদ্দিন শিবলুর পাঠানো তথ্য ও ভিডিও চিত্রে মৌসুমী সুলতানার ভিডিও রিপোর্টে:







