চ্যানেল আই অনলাইন
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • নির্বাচন ২০২৬
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

নেপালে প্রদেশ প্রশ্নে মুখোমুখি সংসদ ও বিচার বিভাগ

Narayan UpadhyayNarayan Upadhyay
৯:১৭ পূর্বাহ্ন ২৩, জুন ২০১৫
মতামত
A A

সুপ্রিম কোর্টের (সর্বোচ্চ আদালত) স্থগিতাদেশের পরও নতুন সংবিধানের খসড়া প্রস্তুতির তোড়জোড় শুরু করেছে নেপালের চারটি প্রধান রাজনৈতিক দল।সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা বলে তারা নতুন একটি সংবিধান রচনার এখতিয়ার রাখে। তা করতে গিয়ে সম্প্রতি দলগুলো সংবিধানের খসড়া সংক্রান্ত ১৬ দফা প্রস্তাবে ঐক্যমতও পোষণ করেছে।

তাই খসড়া সংবিধানের পথে আর কোনো রাজনৈতিক বাধা না থাকলেও নতুন উদ্যোগটির পথ আটকে দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালত। আদালতের মতে সংবিধানের খসড়া প্রস্তুতের নতুন এই উদ্যোগ অন্তবর্তীকালীন সংবিধানের চেতনা পরিপন্থী।

আদালতের সিদ্ধান্ত: আদালতের এমন সিদ্ধান্তে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে। আট বছরের রাজনৈতিক অচলাবস্থার নিরসনে খসড়া সংবিধানের ব্যাপারে আশাবাদীরাও হয়েছেন হতাশ।

বিভক্ত রাজনৈতিক ধারায় ১৬ দফায় ঐক্যমতের বিষয়টি ছিলো আসলেই ঐতিহাসিক। কারণ এর মাধ্যমে দ্য নেপালি কংগ্রেস, ইউএমএল, ইউসিপিএন (মাওবাদী) এবং মাধেস জন অধিকার পার্টি (লোকতান্ত্রিক) নেপালের এই চারটি শীর্ষ রাজনৈতিক দল দীর্ঘ দিন পর এক কাতারে এসেছিলো।

তাদের একত্র হওয়ায় দেশটির দীর্ঘদিন ধরে চলা রাজনৈতিক স্থবিরতা এবং দ্রুত পট পরিবর্তনের সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসার সুযোগ তৈরি করেছিলো। আট বছর ধরে প্রচলিত সাংবিধানিক সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে এক সুতোয় গেঁথে একটি কার্যকর ফেডারেল ব্যবস্থা প্রণয়ন করা যায়নি।

তবে চার দলের সমঝোতায় নতুন সংবিধানের খসড়ায় এই বহুল বিতর্কিত বিষয়টির সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিলো। অন্তত প্রাদেশিক সীমানা এবং নামকরণের মতো বড় ইস্যুতে একমত ছিলো চারটি শীর্ষ রাজনৈতিক দল।

Reneta

দলগুলোর মধ্যে হওয়া সমঝোতা অনুযায়ী গোটা দেশকে আটটি প্রদেশে ভাগ করা হবে। নতুন প্রদেশগুলোর কাঠামোগত দিক ঠিক করতে একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিশন থাকবে। আর প্রাদেশিক সংসদের হাতে দেয়া হবে সংশ্লিষ্ট প্রদেশটির নামকরণের দায়িত্ব।

এছাড়াও নতুন ফেডারেল রাষ্ট্র ব্যবস্থায় শাসন কাঠামো, বিচার ব্যবস্থা এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিষয়েও সমঝোতায় পৌঁছেছিলো চার দল। তবে নতুন এ ব্যবস্থার সামগ্রিক সমঝোতা নিশ্চিত ছিলো না। বেশ কয়েকটি বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে অসন্তোষ ছিলো।

অমীমাংসিত বিষয়ে সিদ্ধান্ত পেতে শেষমেষ তারা সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়। এরপরই স্থগিতাদেশ জারি করেন আদালত। আদালতের আদেশে বলা হয়, ফেডারেল ব্যবস্থা বা কাঠামো নিয়ে আদালতকে কোনো সুস্পষ্ট ধারণা দেয়া হয়নি। আদালত এখানে প্রদেশের সীমানা এবং নামকরণের বিষয়টি চূড়ান্ত না হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

এ নিয়ে কমিশন গঠনের বিষয়টিও অন্তবর্তী সংবিধানের ধারার সাথে সাংঘর্ষিক বলে রায় দিয়েছেন আদালত। আদালতের আদেশে এটা স্পষ্ট যে নতুন প্রদেশ, নামকরণ এবং সীমানা নির্ধারণের বিষয়গুলো চারদলের মনোনিত কোনো কমিশন নয় বরং গণপরিষদে বা প্রচলিত সংসদীয় ব্যবস্থ্যাতেই সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হতে হবে।

বিচারপতি গিরিশ চন্দ্র লালের একক বেঞ্চের দেয়া স্থগিতাদেশ শীর্ষ চারটি রাজনৈতিক দলেও উদ্যোগকে কোণঠাসা করে ফেলেছে। এ অবস্থায় চার দলের সিদ্ধান্তের বিপরীতে আদালতের স্থগিতাদেশ বিচারবিভাগ এবং দেশের আইনপ্রণেতাদের মুখোমুখি দাড় করিয়েছে। দুই পক্ষ একে অন্যের বিরুদ্ধে শুরু করেছেন সীমা লঙ্ঘন আর হস্তক্ষেপের অভিযোগ।

বিষয়টিকে রাজনৈতিক বিবেচনা করে সংসদীয় সিদ্ধান্তে বিচার বিভাগের হস্তক্ষেপকে এখতিয়ার বহির্ভূত বলে মনে করছে চার দল। কারণ সংসদ জনগণের সার্বভৌম সত্ত্বার প্রতিনিধিত্ব করছে। তাদের মতে বিচার বিভাগের নির্বাহী বিভাগের স্বতন্ত্র সত্ত্বা ও ক্ষমতার প্রতি যথাযথ সম্মান দেখানো উচিৎ। এমনকি ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত নেপালের পুনর্গঠনে দ্রুততম সময়ে সংবিধানের খসড়া লেখা শেষ করতে চায় দলগুলো।

অথচ আদালতের এমন ‘অনাকাঙ্খিত’ রায়ের ফলে এই প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হবে বলেই মনে করে তারা। তবে রাজনৈতিক দলগুলো সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন থেকে সরে আসবে না বলেই মনে হয়।

দলগুলো জানিয়েছে এই খসড়া তৈরির পাশাপাশি আদালতের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবেন তারা। দলগুলোর এমন সিদ্ধান্তকে দূরদর্শীই বলা যায়। কারণ আদালতের ওপর সরাসরি ‘হস্তক্ষেপের’ অভিযোগ আনার চেয়ে বরং নতুন সংবিধানের খসড়া রচনার মাধ্যমে আইনগতভাবে চলমান স্থবিরতা কাটানোটাই হবে সমস্যা সমাধানের সর্বোত্তম পন্থা।

ভবিষ্যত সংকট এড়ানো: তবে জনগণের ইচ্ছাপূরণে সংবিধানের খসড়া করা হচ্ছে এমন দোহাই দিয়ে স্বাধীন বিচার বিভাগকে অবহেলা করাটাও সংসদের উচিৎ হবে না । রাজনৈতিক দলগুলোর বরং উচিৎ হবে নিজেদের উদ্যোগের ত্রুটি খুঁজে বের করে তার আইনী সমাধানে সচেষ্ট হওয়া। আরেকটি বড় সুযোগও আছে তাদের সামনে। কারণ একজন বিচারপতির একক বেঞ্চ স্থগিতাদেশ দিয়েছেন।

দলগুলো চাইলে সুপ্রিম কোর্টের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে বিষয়টি নিষ্পত্তির দাবি তুলতে পারেন। সেখানে সংসদ ও সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকট তৈরি হলেও তা মোকাবেলা করা সহজ হবে।

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: নেপালবিচার বিভাগসংসদ
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ছবি: সংগৃহীত

বিএনপিকে জনতা পার্টি বাংলাদেশের অভিনন্দন

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

শেখ হাসিনাকে দেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করার প্রক্রিয়া শুরু হবে: সালাউদ্দিন আহমদ

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বিজয়ী নুরুল হক নুরকে ফুলেল সংবর্ধনা, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজের অঙ্গীকার

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নড়াইলে এক ব্যাক্তির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

গণভোট ৬০.২৬ শতাংশ, জিতেছে ‘হ্যাঁ’

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT