নেইমারের খবরের জন্য সব সময়ই প্রবল আকাঙ্ক্ষী ব্রাজিলের মিডিয়া। পেনাল্টি শট নিয়ে এডিনসন কাভানির সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া নেইমারের দ্বন্দ্বকে ‘ওয়ার অব ইগো’ অহংবোধের লড়াই হিসেবে দেখছে তারা।
সোমবার ব্রাজিলের দৈনিক ‘ও ডিয়া’ শিরোনাম করে ‘আবার বিতর্কে নেইমার ও কাভানি’। পরে পত্রিকাটি লিখেছে, গত ২০ আগস্ট পিএসজির ঘরের মাঠে নেইমারের প্রথম ম্যাচে দ্বন্দ্বের পর আবারও পেনাল্টি শট নেয়া নিয়ে বিতর্কে দুই তারকা।
আরেক দৈনিক ‘ও গ্লোবো’ লিখেছে, লিগে নেইমারের দল শীর্ষে থাকলেও ব্রাজিলিয়ানের সঙ্গে কাভানির দুর্বল বোঝাপড়া দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
ব্রাজিলে ফরাসি লিগ-ওয়ান প্রচার করে স্পোর্ত টেলিভিশন। সেই চ্যানেলের ভাষ্যকার লিডিও কারমোনা বলেছেন, নেইমার যদি নিজে ‘স্বতন্ত্রভাবে খেলে’ সেটা নতুন সহকর্মীদের কাছ থেকে তাকে বিচ্ছিন্ন করতে পারে।
একটু সতর্কবাণীর সুরে ওই ভাষ্যকার বলেন, এটা ছোট একটি ছায়া যুদ্ধের মত হতে পারে, কিন্তু এটাকে অতি অহংবাদীর মুখ হিসেবে দেখাচ্ছে। এমন ঘটনা যদি আবার ঘটে তাহলে পরিস্থিতি অধঃপতনের দিকে যেতে পারে।

তবে অন্যরা নানা ইঙ্গিত দিতে চাইলেও কোনও রাখঢাক ছাড়াই নেইমার-কাভানির দ্বন্দ্বকে ‘ওয়ার অব ইগো’ বলেছে ‘গ্লোবস্পোর্তে.ডটকম’।
ওই ওয়েবসাইট আরও বলেছে, ‘এটা স্পষ্ট যে এই দুই খেলোয়াড় এক সাথে খেলবেন না’।
পিএসজির হয়ে পেনাল্টি শট কিংবা ফ্রি-কিক দুটোই নিচ্ছেন কাভানি। এটি নিয়ে রোববার রাতের ম্যাচেও দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন তারা।
লিঁওর বিপক্ষে পিএসজির হয়ে ফ্রি-কিক নিতে এগিয়ে আসেন কাভানি। কিন্তু নেইমারের জাতীয় দল সতীর্থ ও সবচেয়ে ভাল বন্ধু দানি আলভেজ বল নিয়ে বাড়িয়ে দেন নেইমারকে। ব্যাপারটি পছন্দ হয়নি কাভানির। বেশ রেগে যান উরুগুয়ে ফরোয়ার্ড।

এরপর খেলার ৭৯ মিনিটে পিএসজি পেনাল্টি পেলে আলভেজ চেয়েছিলেন নেইমারই কিক নেবেন। কাভানি সেটিও হতে দেননি। নিজেই এগিয়ে আসেন কিক নিতে। এটি নিয়ে তার সঙ্গে তর্ক লেগে যায় আলভেজ ও নেইমারের। তর্কে জেতেন কাভানিই। তবে স্পটকিকে গোল করতে ব্যর্থ হন তিনি। মাঠের খেলায়ও এটি প্রভাব ফেলে। কোনও গোল করতে পারেননি পিএসজির খেলোয়াড়রা।







