২২২ মিলিয়ন ইউরো। বাংলাদেশি টাকায় ২ হাজার ১০৬ কোটি টাকা মাত্র! নেইমারকে এই দাম দিয়েই বার্সেলোনা থেকে কেড়ে নিয়ে গেছে পিএসজি। ইউরোপিয়ান ফুটবল তো বটেই বিশ্ব ফুটবলেরও দলবদলেই মাইলফলক সৃষ্টি করেছে এই রেকর্ড চুক্তি।
নেইমারকে পেতে ব্যয় করা আকাশছোঁয়া অর্থে পিএসজি আরও কী কী করতে পারত দেখে নেয়া যাক সেটি-
অ্যাথলেটিকো বিলবাওয়ের নতুন স্টেডিয়াম সান মামেস তৈরিতে খরচ হয়েছে ১৮০ মিলিয়ন ইউরো। অর্থাৎ, নেইমারকে না কিনে এই রকম একটি স্টেডিয়াম তৈরি করলে আরও ৪২ মিলিয়ন ইউরো ব্যাংকে জমা রাখতে পারত পিএসজি।

১৩৫ মিলিয়ন ইউরো। খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় বাস্কেটবল দল গোল্ডেন স্টেটসের পুরো এক মাসের খরচ। নেইমারের দাম দিয়ে দলটিকে দুমাস বেকার বসিয়ে চালিয়ে নেয়া সম্ভব।

ফর্মুলা ওয়ান দল তোরো রোসোর পুরো বছরের বাজেটই ১২৪ মিলিয়ন ইউরো! অথচ এক নেইমারের দামই কিনা এর প্রায় দ্বিগুণ!

চাইলে নেইমারকে না কিনে হলিউড সিনেমায়ও লগ্নি করতে পারতো পিএসজি। জনপ্রিয় সুপারহিরো মুভি ‘সুপারম্যান রিটার্নস’ তৈরি করতে খরচ হয়েছিল ২৫০ মিলিয়ন ইউরো।

২০০৪ সালে ভারতীয় ধনকুবের লক্ষ্মী মিত্তালের কেনা কেসিংটন প্যালেসের বর্তমান মূল্য ৭৬ মিলিয়ন ইউরো। নেইমারের দাম দিয়ে এরকম তিনটি প্রাসাদ্যোম বাড়ি কেনা সম্ভব।

নেইমারকে না কিনে ১০৩২ জনকে মহাশূন্য ভ্রমণ করিয়ে নিয়ে আসতে পারতো পিএসজি। বিখ্যাত ধনকুবের রিচার্ড ব্রেনসনের ভার্জিন গ্যালাকটিক ২.৫ লাখ ইউরো খরচে ঘুরিয়ে আনে মহাশূন্য।

নেইমারের ট্রান্সফার ফিতে তিনটি বোয়িং ৭৩৭-৭০০ যাত্রীবাহী বিমান কেনা সম্ভব। বোয়িং ‘নেক্সট জেনারেশন’ সিরিজে প্রথম পর্বের বিমানগুলোর প্রতিটির মূল্য ৮ কোটি ২৪ লাখ ডলার।

ইতালির ঐতিহ্যবাহী একটি খাবার স্প্যাগেটি। নুডলসের মতো দেখতে এই খাবারটি নেইমারের পেছনে ব্যয় করা অর্থে কিনে গোটা বার্সেলোনা শহর ঢেকে দেওয়া সম্ভব ছিল। স্পেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঘনবসতিপূর্ণ শহর বার্সার আয়তন ১০১ বর্গকিলোমিটার।

বিশ্বের অন্যতম ক্ষুদ্র কয়েকটি দেশ হল- টুভ্যালু, কিরিবাতি, মন্টসেরাত, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, নাউরু এবং পালাউয়ের মোট জিডিপি ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার থেকে ২৫ কোটি ৮০ লাখ ডলারের মধ্যে। নেইমারের জন্য পিএসজির করা ব্যয় এই ছয়টি দেশের যেকোনো একটির জিডিপির সমান।







