নীলফামারীতে এবার বেড়েছে লিচুর উৎপাদন। সদর উপজেলা ও দেবীগঞ্জে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু নতুন বাগান। এখন ভরা মৌসুমে সেখানকার লিচু যাচ্ছে সারাদেশে। বোম্বে, মাদ্রাজি, চায়না থ্রি ও বেদানাজাতের লিচু নীলফামারী থেকে যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।
গত বছরের চেয়ে এ বছর লিচুর বাগান বৃদ্ধি পাওয়ায় বেড়েছে সার্বিক উৎপাদন। নীলফামারীর লিচু চাষী বলেন, জন্মের পর একটা শিশুকে যেভাবে লালন-পালন করা হয়, গাছকেও আমরা সেভাবে লালন-পালন করি। লিচু বাগানে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরী হয়েছে অনেকের।
বিষমুক্ত লিচু বাগান কিনতে দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন অনেকেই। লিচু বাগান মালিক বলেন, আমরা কোনো রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার করি না। তাই এই লিচুটা একেবারে বিশুদ্ধ।
বাজারে লিচুর প্রচুর সরবরাহ থাকায় দাম রয়েছে ক্রেতার নাগালের মধ্যে। কিন্তু এই মুল্য ব্যবসায়ীদের আকাঙ্খাক তুলনায় কম। একজন লিচু ব্যবসায়ী জানান, আগে যে লিচু ২২শ’ টাকা বিক্রি করতাম সেগুলো এখন বিক্রি করতে হয় ১২শ’ টাকায়। এতে আমাদের ভালো ব্যবসা হয় না।
একবার লিচুর বাগান করতে পারলে টানা কয়েকবছর বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন বাগান মালিক। একজন লিচু বাগানের মালিক বলেন, বাগানে উৎপাদিত লিচু আমরা নিজেরা খাওয়ার পর বাজারে বিক্রি করি। এতে আর্থিকভাবে আমরা লাভবান হয়েছি।
চলতি মৌসুমে নীলফামারী জেলায় একশো’ ২৩ হেক্টর জমিতে রয়েছে একশো’ ৯৩টি লিচু বাগান।







