টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযানে নামার আগে ভারতের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে হতাশ করল বাংলাদেশ। ১৮৩ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সামান্য লড়াইও করতে পারেনি নাজমুল হোসেন শান্তর দল। অধিনায়ক খুলতে পারেননি রানের খাতা। ওপেনার সৌম্য সরকারও তাই। ১০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই লড়াই থেকে ছিটকে পড়ে বাংলাদেশ।
নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি ক্লাব মাঠে নিজেদের একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশকে ৬২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে রোহিত শর্মার দল। ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২০ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ।
পঞ্চাশের আগে ৫ উইকেট হারিয়ে বসা দলকে একশ পেরিয়ে যেতে অবদান রাখেন মাহমুদউল্লাহ। সাইলেন্ট কিলার অন্যদের সুযোগ দিতে ২৮ বলে ৪০ রান করে স্বেচ্ছা অবসরে যান। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে সাকিব আল হাসানকে নিয়ে গড়েন ৭৫ রানের জুটি।
সাকিব দীর্ঘক্ষণ ক্রিজে কাটালেও টি-টুয়েন্টির চাহিদা মেটাতে পারেননি। ৮২ স্ট্রাইক রেটে ৩৪ বলে ২৮ রান করে ফেরেন সাজঘরে। উইকেটে মানিয়ে নিতে সংগ্রাম করতে হয়েছে টাইগার অলরাউন্ডারকে।
তাওহিদ হৃদয় ১৪ বলে ১৩ ও তানজিদ হাসান তামিম ১৮ বলে ১৭ রান করেন। ড্রপ ইন পিচে প্রথম অভিজ্ঞতায় বাকি কেউ ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্ক।
শুরুতে ভারত কেঁপে উঠেছিল বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলামের আঘাতে। সাঞ্জু স্যামসন ১ রান করে এলবিডব্লিউর শিকার হন। দ্রুত উইকেট তোলার স্বস্তি অবশ্য রূপ নেয় অস্বস্তিতে। তিনে নেমে ঝড় তোলেন রিশভ পান্ট। সাকিবকে এক ওভারেই মারেন তিনটি ছক্কা। ৩২ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলে যান স্বেচ্ছা অবসরে। শেষে হার্দিক পান্ডিয়ার ক্যামিওতে বড় সংগ্রহই গড়ে ভারত।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাট করে ভারত ১৮২ রান তোলে ৫ উইকেট হারিয়ে। ওয়ার্মআপ ম্যাচ হওয়ায় একাদশ চূড়ান্তের বালাই ছিল না। স্কোয়াডের ১৫ ক্রিকেটারই ছিলেন ম্যাচের অংশ।
বাদ যাননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, এমনকি সৌম্য সরকারও। ২ ওভার বল করে ১৬ রান দিয়ে মাহমুদউল্লাহ তুলে নেন রোহিত শর্মার উইকেট। ভারতীয় ওপেনার ১৯ বলে ২৩ রান করে ফেরেন সাজঘরে।
দারুণ বোলিং করেছেন শেখ মেহেদী হাসান। ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান খরচায় শিভম দুবের উইকেট তুলে নেন। নতুন বলে প্রথম ওভারটি করেন টাইগার অফস্পিনারই। সৌম্য ১ ওভারে দেন ১১ রান। লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন ২ ওভারে ১৯ রান দেন।







