একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে শুরু থেকে নানা শঙ্কা থাকলেও ভোটের আগের দিন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অঘটন ছাড়াই ভোট শেষের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ। ৩০ ডিসেম্বর বহুল কাঙ্ক্ষিত সেই ভোটগ্রহণের দিন।
ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নিজেদের পছন্দের সরকার বেছে নেবেন। আর এর মাধ্যমেই নতুনভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন।
এ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত প্রায় দুই মাস ধরে আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নানা তৎপরতা দেখেছি। এক্ষেত্রে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি জোটের কিছু অভিযোগ থাকলেও শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত আমরা তাদের ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়।
এরই মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর পক্ষ থেকে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, রোববার সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়ার পরপরই যেন তারা ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে আসেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ভোটারদেরকে নির্ভয় দিয়ে বলেছেন, তাদের জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও ভোট নিয়ে কোনো রকম শঙ্কার কথা নাকচ করে দেওয়া হয়েছে।
সর্বোপরি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দ্বারপ্রান্তে এসে আমরা আশা করছি, অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হবে ভোটগ্রহণ। নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং নির্বাচনকালীন সরকারের কথায় আমাদের মনে হচ্ছে, ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন।
একইসঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলাসহ ফলাফল যাই হোক না সবাই তা মেনে নেবেন বলেই আমাদের বিশ্বাস। অতীতের সকল নির্বাচনে ফলাফল বিরুদ্ধে গেলেই তা বর্জনের ঘোষণার দৃষ্টান্ত আমরা দেখেছি। এই সংস্কৃতির বদলে ফলাফল যাই হোক তা মেনে নেওয়ার সংস্কৃতি রাজনীতিকদেরই চালু করতে হবে।
সর্বোপরি কারও দ্বারা প্ররোচিত না হয়ে কেন্দ্রে গিয়ে নিজের বিবেক অনুযায়ী দেশের স্বার্থে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী এবং দলকে ভোট দিতে আমরা সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি।








