সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের প্রচারণায় অংশ গ্রহণের সুযোগ রেখে নির্বাচনী আচরণ বিধি সংশোধন করার পর এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ বলেছে: ইতিপূর্বে নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা ছিল আওয়ামী লীগের জন্য বৈষম্যমূলক। সংশোধনের ফলে এখন বৈষম্য কিছুটা হলেও কমবে।
বৃহস্পতিবার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিক্রিয়া জানান দলটির অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ।
তিনি বলেন: পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীরা নির্বাচনী প্রচারণায় স্থানীয়, জাতীয় কিংবা প্রাদেশিক নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারেন, সেখানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ গ্রহণ করতে পারেন না।
‘এমনকি যে এলাকায় নির্বাচন হচ্ছে সেই এলাকায় তিনি ভোটার হওয়া সত্ত্বেও ওই এলাকার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। এটিই ছিলো নির্বাচন কমিশনের ইতিপূর্বেকার আচরণ বিধি। সুতরাং এই আচরণ বিধির ব্যাপারে আমাদের আপত্তি ছিল এবং এই আচরণ বিধিটা বৈষম্যমূলক ছিল। এখন সেই বৈষম্যটা কিছুটা কাটবে কিন্তু পুরোপুরি কাটবে না।’
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে কমিশন বৈঠকে সিটি নির্বাচনের আচরণ বিধির সংশোধনীতে সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়ার সুযোগ রেখে প্রস্তাবনা করা হয়েছে। তবে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে এমপিরা প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না।
বিএনপি এবং খালেদা জিয়া প্রসঙ্গেও কথা বলেন হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন: বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে নজিরবিহীন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন। বেগম খালেদা জিয়া কোন রাজবন্দী নন। তিনি দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত একজন বন্ধি। রাজবন্দী না হয়েও তিনি তার পছন্দনীয় গৃহপরিচারিকা ফাতেমাকে সাথে রাখতে পারছেন। খালেদা জিয়া কারাগারে অত্যন্ত পরিপাটি একটি রুমে থাকছেন। সেখানে টেলিভিশন, ফ্রিজ, দৈনিক সংবাদ পত্র, ব্যাক্তিগত চিকিৎসক দ্বারা সার্বক্ষনিক স্বাস্থ্য পরিক্ষা করাসহ আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন।
তিনি বলেন: বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে কানাডার একটি আদালত পুনরায় রায় দিয়েছে। ২০১৩, ১৪, ১৫ সালে বিএনপি জামাত যেভাবে অগ্নি সন্ত্রাস চালিয়েছিল তা কানাডার আইন অনুযায়ী টেররিস্ট অ্যাক্টের আওতায় পড়ে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপ দপ্তর সম্পাদক ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, কার্যনির্বাহী সদস্য মারুফা আকতার পপি প্রমুখ।







