ঠিকাদারদের ঢিলেমিতে নির্ধারিত সময়ের দেড় বছর পরও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সংস্কার কাজ শেষ হয়নি। তাই সময় বাড়ায় ব্যয়ও বেড়েছে। কাজ কবে শেষ হবে, তারও জবাব দিচ্ছে না ইন্টারকন্টিনেন্টাল কর্তৃপক্ষ। কাজ শেষ করতে দেরি হওয়ায় ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে এ সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
সম্প্রতি রূপসী বাংলা নামে চলা হোটেলটি নতুন করে চালু করার জন্য রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থা বাংলাদেশ সার্ভিস লিমিটেড- বিএসএল এবং ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল গ্রুপের মধ্যে ২০১২ সালের ১৯শে ফেব্রুয়ারি ৩০ বছরের চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, হোটেলের সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার পর ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ঢাকা নামে পরিচালিত হবে।
প্রায় ৪’শ কোটি টাকা ব্যয়ে যৌথভাবে হোটেলটি সংস্কারের কাজ করছে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নরিনকো ইন্টারন্যাশনাল এবং দেশীয় প্রতিষ্ঠান চারুতা প্রাইভেট লিমিটেড।
চুক্তিতে হোটেল সংস্কারে পরিকল্পনার সময় ৯ মাস, বাস্তবায়ন সময় ১৬ মাস এবং সংশোধন সময় ১২ মাস ধরা হয়। সে হিসাবে, ২০১৬’র জানুয়ারিতে ইন্টারকন্টিনেন্টালের সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিলো।
নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় ৮ মাস পিছিয়ে অক্টোবরে কাজ শেষ করার নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়। দ্বিতীয় দফা ব্যর্থতার পর চলতি বছরের মার্চে সংস্কার কাজ শেষ করার সময় নির্ধারণ করা হয়। তবে এখনো কাজ শেষ হয়নি।
২২শে মে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন তুলে ধরবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
১৯৬৬ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত এর নাম ছিল হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল। ১৯৮৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত পরিচালিত হয় ঢাকা শেরাটন হোটেল নামে।
২০১৪ সালের পয়লা জুন থেকে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় পরিচালিত পাঁচ তারকা হোটেল রূপসী বাংলা সংস্কারের জন্য বন্ধ রয়েছে। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সময়ও এটি বন্ধ হয়নি, সে সময়ের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অবস্থান করে যুদ্ধের সংবাদ সংগ্রহ করেছিলেন বিদেশি সাংবাদিকরা।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:







