সাকিব-মাহমুদউল্লাহ দুই দলের অধিনায়ক। জমজমাট লড়াইয়ের অপেক্ষায় ছিলেন সবাই। হাজারখানেক দর্শকও হল শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে। কিন্তু টি-টুয়েন্টির উত্তাপ পাওয়া গেল না মোটেও। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বিসিবি সবুজ দল সাকিব আল হাসানের সবুজ দলকে দিতে পারল মাত্র ৯৭ রানের লক্ষ্য। ১৬.১ ওভারে চার উইকেট হারিয়ে ম্যাচ শেষ করে সাকিবরা।
লক্ষ্যটা ছোট বলে জাকির হাসানের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমে যান সাকিব। প্রথম তিন বলে দুর্দান্ত দুটি চার মেরে করলেন দারুণ সূচনা। তবে বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি। বাঁহাতি স্পিনার নাহিদুল ইসলামের বলে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে বল তুলে দেন আকাশে। পয়েন্টের ফিল্ডার মেহেদী মারুফ তালুবন্দী করেন সাকিবের ক্যাচটি। সাকিবের ওপেনিং পার্টনার জাকিরের ব্যাট থেকে এসেছে সর্বোচ্চ ৩৭ রান।
সাব্বির হোসেন ১৯, তৌহিদ হৃদয় ৬, আফিফ হোসেন ধ্রুব ৪ (রান আউট) ও জনি তালুকদার ১২ রানে অপরাজিত থাকেন। আর তাতে ২৩ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটে জয় তুলে নেয় লাল দল।
নাহিদুল, জুবায়ের হোসেন লিখন ও তাইজুল ইসলাম নেন একটি করে উইকেট।
ফ্লাড লাইটের আলোয় বিকেল ৫টায় শুরু হওয়া ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৭.৩ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে মাহমুদউল্লাহর সবুজ দল তোলে ৯৬ রান। দেলোয়ার হোসেন ২০, নাহিদুল ১৮, আরিফুল হক ১২, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১১ রান করেন। দলের অন্য ব্যাটসম্যানদের কেউ দুই অঙ্ক ছুতে পারেননি।
বাঁহাতি স্পিনার রায়হান উদ্দিন নিয়েছেন তিনটি উইকেট। দুটি উইকেট নিয়েছেন পেসার সাইফউদ্দিন। একটি করে উইকেট সাকিব, শরিফুল ইসলাম, কাজী অনিক ও মোহাম্মদ আজিমের।
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে দর্শক হয়ে আছেন সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ। তাদের দল সেরা ছয়ের সুপার লিগে উঠতে না পারায় খেলতে পারছেন না ম্যাচ। তাদের মাঠে নামার সুযোগ করে দিতেই নিজেদের মধ্যে ম্যাচ আয়োজন করে বিসিবি। জাতীয় দলের দুই তারকা ক্রিকেটারদের নেতৃত্বে খেলার সুযোগ পেয়েছেন অনেক তরুণ ও ঢাকা লিগের উঠতি পারফর্মাররা। বাউন্ডারি সীমানার পাশ ঘেঁষে চেয়ারে বসে খেলা দেখেছেন পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ, প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান। সামনে জাতীয় দল ও ‘এ’ দলের অনেক খেলা। পাইপলাইনে থাকা ক্রিকেটারদের পরখ করে নেওয়াও ছিল ম্যাচ আয়োজনের উদ্দেশ্য।







