টেস্ট ম্যাচের দৈর্ঘ্য ৫ দিন। আয়োজনে প্রয়োজন পড়ে উন্নতমানের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা। যেনে বৃষ্টি হলেও মাঠ শুকাতে দীর্ঘ সময় না লাগে। কিন্তু বাংলাদেশ-ভারত সিরিজে দ্বিতীয় টেস্ট কানপুরের যে ভেন্যুতে হচ্ছে, সেখানকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা চরম নিম্নমানের। ম্যাচের তৃতীয় দিন বৃষ্টি না হলেও ভেজা মাঠের কারণে সারাদিনে গড়ায়নি কোনো বল।
ভেন্যুর করুণ অবস্থা দেখে কানপুরকে বাতিলের খাতায় ফেলার দাবি তুলেছেন সাবেক ক্রিকেটাররা। গ্রিন পার্কে ম্য়াচ আয়োজন করতে গিয়ে রীতিমতো বিতর্কের মুখে পড়েছে বিসিসিআই। ম্যাচের তিন দিনে গড়ায় কেবল ৩৫ ওভার।
প্রথমদিন ছাড়া দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনে এক বলও খেলা হয়নি। খারাপ আবহাওয়া ও সেটির থেকেও বড় কথা নিম্নমানের পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কানপুর গ্রিন পার্কে টেস্ট আয়োজন নিয়ে কটাক্ষ করেছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার বাসিত আলিও।
সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘রাত থেকে আগেরদিন বৃষ্টি হয়নি। তবুও ম্য়ানেজমেন্ট একটা মাঠ শুকাতে পারছে না। এতটাই খারাপ পরিস্থিতি? দুটো সুপার সপার ব্যবহার করেও মাঠ শুকনো যায়নি। এটার মানে কাভার একেবারেই সঠিক মানের নয়। মাঠ ভেজাই ছিল পুরোদিন। জয় শাহ-র পরবর্তী যে বোর্ড সচিব হয়ে আসবেন, চাইব কানপুর টেস্ট ম্য়াচ আয়োজন যাতে আর না করতে পারে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন।’
বাসিত আলি মনে করিয়ে দিয়েছেন কানপুরে ম্য়াচের যদি ফল না হয় তাহলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার পথে বেগ পেতে হতে পারে ভারতকে। বলছেন, ‘কানপুর টেস্টের কোনো ফল না হলে ভারতের জন্য় টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে চাপ বাড়বে। অনেকেই মনে করছেন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্য়াচের টেস্ট সিরিজ জিতবে ভারত। কিন্তু যদি একটি ম্য়াচেও ফল অন্যরকম হয়। ড্র বা ভারত হারে, তবে কিন্তু অঙ্কটা অনেক জটিল হয়ে যাবে রোহিতদের জন্য।’
মাঠে পরপর দুইদিন ভেস্তে গিয়েছে ম্যাচ। মাঠের পরিস্থিতি, বন্দোবস্ত সব নিয়েই ক্ষুব্ধ ভারতীয় ক্রিকেটমহল। অনেকেই এই মাঠ এবং মাঠের বিভিন্ন ব্যবস্থাকে সব থেকে খারাপ বলে দাবি করেছেন। অনেকেই আবার উপদেশ দিচ্ছেন এরপর থেকে যেন পরিবেশের আগাম পূর্বাভাস না দেখে কোনো ম্যাচের ভেন্যু ঘোষণা না করা হয়।
চতুর্থ দিনে আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়েছে। সকালেই দেখা গেছে সূর্যের তেজ। খেলা শুরু হয়েছে নির্ধারিত সময়ে। প্রথম দুই সেশনের খেলা ১৫ মিনিট করে বাড়ানো হয়েছে।








