সৌদি আরবে শীর্ষ শিয়া নেতা শেখ নিমর আল-নিমরের শিরশ্ছেদের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই মৃত্যুদণ্ড মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্ব আরো বাড়াবে বলে সতর্ক করেছে দেশটি।
উত্তেজনা কমাতে পুরো এলাকায় প্রচেষ্টা দ্বিগুণ করতে তাগাদা দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগ।
এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র বিভাগের মুখপাত্র জন কার্বি মানবাধিকার রক্ষা এবং স্বচ্ছ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সৌদি সরকারের কাছে অনুরোধ করেন।
এছাড়াও ভিন্নমতের প্রতি শান্তিপূর্ণ প্রতিক্রিয়া দেখাতে সৌদি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান কার্বি।
শনিবার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শেখ নিমরসহ ৪৭ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে সৌদি আরব। এরপর থেকেই প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে ইরান ও বাহরাইনসহ মধ্যপ্রাচ্যের শিয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে।
তেহরানে সৌদি দূতাবাসে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। খোদ সৌদির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে আন্দোলন করে শিয়া জনগোষ্ঠী ও শেখ নিমরের অনুসারীরা।
শেখ নিমর ছিলেন ২০১১ সালে পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে শুরু হওয়া সরকার-বিরোধী আন্দোলনের প্রকাশ্য সমর্থক। ওই প্রদেশে বহু আগে থেকেই শিয়া সম্প্রদায় বৈষম্যের শিকার হওয়ার অভিযোগ করে আসছিলো।
দু’বছর আগে শেখ নিমর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার হন। ওই ঘটনার সময় টানা কয়েকদিন উত্তেজনা বিরাজ করে দেশটিতে।
গত অক্টোবরে শেখ নিমরের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা দেয়া হয়।
তার ভাই বলেন, সৌদি সরকারের বিরুদ্ধে গিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর বিপক্ষে লড়ার জন্য অস্ত্র তুলে নেয়ার এবং ‘বিদেশী সহায়তা’ লাভের চেষ্টার অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।







