বিএনপির দুর্নীতি দেশে বিদেশে প্রমাণিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘোরাতেই খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে বলে মন্তব্য করেছে আওয়ামী লীগ।
বুধবার বিকালে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এ কথা বলেন।
তিনি বলেন: বিএনপির দুর্নীতি এখন দেশ বিদেশে প্রমাণিত। তারা এখন শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছে। তিনি বিএনপির প্রতি দ্রুত আইনি নোটিশ প্রত্যাহার করার আহ্বান জানান। না হলে অচিরেই বিএনপির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের নেওয়ার হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন তিনি।
বেগম খালেদা জিয়ার ১২টি দেশে ১২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ করেছে। আমরা সরকারের কাছে এ বিষয়ে তদন্ত করার জন্য আবেদন করবো।
বিএনপি দুর্নীতিবাজদের দল মন্তব্য করে তিনি বলেন: বিএনপির নেতারা এখন দুর্নীতিবাজ খালেদা জিয় এবং তারেক রহমানকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন। তারা এখন চোরের পাহারাদার। কথা আছে,‘চোরের মায়ের বড় গলা।’ এখন দেখা যাচ্ছে, চোরের উকিলেরও বড় গলা।
জিয়া পরিবারের দুর্নতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন: বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার দুর্নীতি প্রমানিত। ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করেছেন। তিনি নিজেও তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে জরিমানা দিয়ে কালো টাকা সাদা করেছেন।
বিদেশেও তাদের দুর্নীতি প্রমানিত। খালেদা জিয়ার দুই পুত্র তারেক জিয়া এবং প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকো রাষ্ট্রিয় ব্যাংক থেকে ৯৮০ কোটি টাকা লোপাট করেছেন। শুধু বিদ্যুৎ খাত থেকেই লোপাট করেছেন ২১০০ কোটি টাকা। এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ কোটি টাকা দুর্নীতির প্রমান পাওয়া গেছে। শুধু তাই হয় সিঙ্গাপুর-কানাডার আদালত তাদেরকে দুর্নীতিবাজ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
উইকিলিকসের ফাঁস হওয়া তথ্যে জানা যায়: তারেক রহমানকে ওয়াশিংটনে ঢুকতে না দিতে তারবার্তা পাঠিয়েছিলো ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। ওই তারবার্তায় তারেক রহমানের দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি বলা হয়েছিলো: বাংলাদেশে যাকিছু খারাপ তার জন্য দায়ি তারেক রহমান এবং তার সহযোগীরা।
শুধু তাই নয় বাংলাদেশেও জিয়া পরিবারের দুর্নীতি প্রমাণিত হয়েছে। ২০১৬ সালের ১২ জুন আদালত দুর্নীতির অভিযোগে আদালত তারেক রহমানকে ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ২১ কোটি টাকা জরিমানা করে।
আর আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে বক্তব্য দিয়েছেন তা দেশ বিদেশে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে। তাই বিএনপি যদি আইনি নোটিশ প্রত্যাহার না করে তাহলে আইনি প্রক্রিয়ায়ই এর মোকাবেলা করা হবে।







