এবি কিচেন। যা সম্পর্কে সংগীতের মানুষেরা বলে থাকেন, এখানে প্রতিনিয়ত সংগীত রান্না হয়! হ্যাঁ, সুর সংগীতেই মুখরিত থাকতো গানের এই নামকরা স্টুডিওটি! অথচ রবিবার সন্ধ্যায় এই স্টুডিওতে গিয়ে মনে হলো যেন রাজ্যের নীরবতা গ্রাস করেছে!
সদ্য প্রয়াত কিংবদন্তি শিল্পী ও এলআরবির প্রতিষ্ঠাতা আইয়ুব বাচ্চুর নিজস্ব স্টুডিও মগবাজারস্থ এবি কিচেন। বহু বছর ধরেই এখানে স্টুডিওটি ছিলো তার। কতো কতো কালজয়ী গানের সাক্ষী বহন করে চলেছে এবি কিচেন, তার ইয়ত্তা নেই। অথচ এবির মৃত্যুতে যেন শোক বইছে তার স্টুটিওটিও।
আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুর পর সেই স্মৃতি বিজড়িত এবি কিচেনেই রবিবার বাদ মাগরিব আয়োজন করা হয় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের। এবি কিচেন সংলগ্ন মসজিদে এই আয়োজন করেন এলআরবির সদস্যরা ও আইয়ুব বাচ্চুর পরিবার।
দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গীতিকার প্রিন্স মাহমুদ, কণ্ঠশিল্পী এস আই টুটুল, আসিফ আকবর, মেহরীন, হাসান আবিদুর রহমান জুয়েলসহ আইয়ুব বাচ্চুর বন্ধু, সহকর্মীরা। দোয়া মাহফিলে আরও ছিলেন এলআরবির বাকি সদস্যরা। ছিলেন আইয়ুব বাচ্চুর ছেলে তাজওয়ার, মেয়ে সাফরাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও।
দোয়া মাহফিলের পর উপস্থিত সংগীতশিল্পী ও গীতিকাররা কথা বলেন গণমাধ্যমের সাথে। সংগীতশিল্পী জুয়েল বলেন, রকস্টার বলতে যা বুঝি সেটাকে বাংলাদেশি করণ করেছিলেন আইয়ুব বাচ্চু। একজন রকস্টারের সমস্ত ক্যারেক্টারিস্টিক দিয়ে বাংলার মাটি জল হাওয়াকে দিয়ে তিনি নিজেকে তৈরি করেছিলেন। তার মাগফিরাত কামনা করি।

এসময় ছেলে মেয়ে দুজনেই সবার কাছে বাবার জন্য দোয়া চান। ছেলে তাজওয়ার বলেন, গানে ও সুরে বাবাকে সবাই যেমন বুকে রেখেছেন, তেমনি রাখবেন সবসময়। এমনকি বাবার প্রতি কারো কোনো বিদ্বেষ, ক্ষোভ থাকলে ক্ষমা করে দেয়ারও আহ্বান জানান আইয়ুব বাচ্চুর ছেলে-মেয়ে।
দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের পর এলআরবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘এলআরবি’ নিয়ে আইয়ুব বাচ্চুর যে স্বপ্ন ছিলো সেই স্বপ্ন পূরণেই কাজ করবে দলটি।







