নারী ক্রিকেটারদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, নারী ক্রিকেটারদের সুযোগ-সুবিধায় ঘাটতি পুষিয়ে দেওয়া হবে।
‘নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় হয়তো আমাদের স্বল্পতা থাকতে পারে। তবে সেগুলো আমরা অবশ্যই পূরণ করব। তাছাড়া স্পন্সর থেকে প্রাপ্ত অর্থের একটা নির্দিষ্ট পরিমাণও তাদের জন্য বরাদ্দ দিচ্ছি।’ বলেন নিজামউদ্দিন।
জাতীয় লিগ খেলে বাংলাদেশ নারী দলের ক্রিকেটাররা ম্যাচপ্রতি পান ৬০০ টাকা! অথচ দিনকে দিন বিসিবির আয় বাড়ছে হুহু করে।
সম্প্রতি নারী ক্রিকেটারদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে পত্রপত্রিকায় বেশ আলোচনা হয়। এরপরই টনক নড়ে বিসিবির।
নিজামউদ্দিন চৌধুরী অবশ্য মনে করেন একটি দিকে স্বল্পতা থেকে যাওয়া ছাড়া আর সব দিকে নারী ক্রিকেটের জন্য কম করছে না বিসিবি, ‘নারী দলের জন্য যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে আপনি যদি আইসিসির অন্য দেশগুলোর দিকে তাকান সেই তুলনায় আমরা কোনও অংশেই কম করছি না। আমাদের নারী দলে কিন্তু গত চারবছর বা তারও বেশি সময় যাবত একজন বিদেশী কোচ নিয়মিতই আছে। এছাড়া বিদেশ থেকে প্রশিক্ষকও নিচ্ছি।’
বিদেশি কোচ রাখার ব্যাপারে বিসিবি আন্তরিক হলেও ক্রিকেটারদের আর্থিক কাঠামো দুর্বল। ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের বেতনে আকাশ-পাতাল ব্যবধান। ‘এ’ প্লাস গ্রেডে থাকা মাশরাফি-মুশফিক-সাকিবরা যেখানে পান ৪ লাখ টাকা, সেখানে জাহানারা-রুমানাদের বেতন মাত্র ৩০ হাজার টাকা। মেয়েদের ‘এ’ গ্রেডের ক্রিকেটাররা পান ২০ হাজার আর ‘বি’ গ্রেডের ক্রিকেটাররা পান ১০ হাজার করে। আন্তর্জাতিক ম্যাচে (ওয়ানডে) ছেলেরা যেখানে পান দুই লাখ টাকা, সেখানে নারী ক্রিকেটাররা পান ৮ হাজার টাকা।







