নারীর প্রতি সহিংসতা বিরোধী প্রচারে বাংলাদেশে নিযুক্ত নয় নারী রাষ্ট্রদূত একটি যৌথ নিবন্ধ প্রকাশ করেছেন।
সেখানে তারা নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে সাড়া দেওয়া এবং এটি প্রতিরোধে কাজ করার উপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
নিবন্ধে রাষ্ট্রদূতদের দাবী এখনো সারাবিশ্বে প্রতি তিনজনে একজন নারী তার সঙ্গীর দ্বারা শারীরিক বা যৌন নিপীড়নের শিকার হন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো পরিচালিত নারীর প্রতি সহিংসতা জরিপ ২০১১ অনুযায়ী বাংলাদেশে শতকরা ৮৭ ভাগ বিবাহিত নারী তাদের স্বামীর হাতে নিগৃহীত হন। এই বিষয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান তাদের।
নারীর প্রতি সহিংসতা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হ্রাস করে বলেও মন্তব্য করা হয় নিবন্ধে। ‘ইউএন উইমেন’ অনুযায়ী, ১৫ থেকে ৪৪ বছর পর্যন্ত নারী ও মেয়েশিশুদের ক্ষেত্রে ক্যান্সার, সড়ক দুর্ঘটনা, ম্যালেরিয়া এবং যুদ্ধের কারণে মৃত্যুর চেয়ে সহিংসতার কারণে অধিকতর মৃত্যু ও শারীরিক অক্ষমতা দেখা দেয়।
প্রতি বছর ২৫ নভেম্বর নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ দিবসে ১৬ দিনের নারীর প্রতি সহিংসতাবিরোধী কর্মতৎপরতা শুরু হয়, যেটি ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবসে শেষ হয়।
সমস্যা সমাধানে ভুক্তভোগীদের কথা শুনে এবং তাদেরকে বিশ্বাস করে তাদের সহায়তা করা এবং পুরুষ ও ছেলেদের নারীদের সহযোগিতা করে এবং তাদের প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর শিক্ষা দেয়ার আহবান জানানো হয়। এছাড়া প্রশিক্ষণ, আইনী সহায়তা, বিচার ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির কথাও তুলে আনেন রাষ্ট্রদূতরা।
নিবন্ধে ভুটান রাষ্ট্রদূত পেমা শোডেন, ব্রাজিল রাষ্ট্রদূত ওয়ানজা ক্যাম্পোস দ্য নব্রেগা, ডেনমার্ক রাষ্ট্রদূত হ্যান ফুগল এস্কেয়ার, ফ্রান্স রাষ্ট্রদূত সোফি অবেয়ার, মালয়েশিয়ান রাষ্ট্রদূত নোরলিন বিন্তি ওসমান, নেদারল্যান্ড রাষ্ট্রদূত লিওনি মার্গারিটা কুয়েলেনায়ের, নরওয়ে রাষ্ট্রদূত মেরেটে লুন্ডিমো, শ্রীলঙ্কান রাষ্ট্রদূত ইয়াসোজা গুনাসেকেরা এবং মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট সাক্ষর করেন।







