কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীর দুইটি পয়েন্ট থেকে থেকে ভাসমান অবস্থায় আরো ১৬ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে ৩ দিনে ৩৯ জন রোহিঙ্গার মৃতদেহ উদ্ধার করা হল।
শুক্রবার সকালে টেকনাফের নাফ নদীর ঝিনমনখালী পয়েন্ট থেকে ১৫ জন এবং শাহ পরীর দ্বীপ পয়েন্ট থেকে একজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ১১ জন পুরুষ, ৩ জন নারী ও ২ শিশু রয়েছে।
টেকনাফ থানার ওসি মো. মাইনউদ্দিন খান জানান, টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঝিনমনখালী পয়েন্ট থেকে স্থানীয়দের দেয়া তথ্য মতে ১৫ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ১১ জন পুরুষ, ২ জন নারী ও ২ জন শিশু রয়েছে। এসব মৃতদেহ পঁচা এবং অনেক আগে মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিন্তু কিভাবে এ ১৫ জনের মৃত্যু হল বলা যাচ্ছে না।
তিনি আরও জানান, অপর দিকে শাহপরীর দ্বীপ থেকে এক নারী মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। এটা নৌকা ডুবিতে নিখোঁজ রোহিঙ্গা নারীর মৃতদেহ। একই পয়েন্ট থেকে গত ২ দিনে আরো ২৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে।
পুলিশ নিশ্চিত না করলেও সীমান্তবর্তী মানুষের দাবি, ঝিনমনখালী থেকে উদ্ধার হওয়ার ১৫ জনের শরীরের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে এদের মিয়ানমারে হত্যার পর মৃতদেহ নাফনদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে।
নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে সেখানকার রাখাইন রাজ্য হতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার পথে সাগরে নৌকাডুবি মৃত্যু হয়েছে ১৯ রোহিঙ্গা নারী ও শিশুর। তাদের মধ্যে বৃহস্পতিবার ১০ জন শিশু এবং ৯ জন নারী মুত দেহ উদ্ধার করা হয় । সেদিন সকালে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপ এলাকার মাজারপাড়া তীরে তাদের মরদেহগুলো ভেসে উঠে। এ নিয়ে ৩ দিনে ৩৯ জন রোহিঙ্গার মৃতদেহ উদ্ধার হল।








