প্রধান চরিত্রে ছিলেন নেইমার। পার্শ্বচরিত্রে আলো করে ছিলেন বার্সা সভাপতি জোসেপ মারিয়া বার্তেমেউ, খেলোয়াড়ের বাবা, কাতারের আমির, পিএসজি ডিরেক্টর লিওনার্দো প্রমুখ। একেকবার একেকজনের একেক কাজ থেকে টুকরো টুকরো খবর জোড়া লাগিয়ে ইউরোপের সংবাদ মাধ্যমগুলো জানাতে লাগল, নতুন মৌসুমে প্যারিস ছাড়ছেনই ব্রাজিলিয়ান তারকা। সেই খবরগুলো এখন পর্যন্ত ফেলে দেয়া যাচ্ছে না, আবার উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না লে’কিপের সংবাদও। ফরাসি দৈনিকটির খবর, অন্তত গ্রীষ্মকালীন দলবদলে বার্সায় যাওয়া হচ্ছে না নেইমারের!
২০১৯ গ্রীষ্মকালীন দলবদলে এখন সময় বাকী ৪৮ ঘণ্টারও কম। এখনও সম্ভাবনা আছে নেইমারের ন্যু ক্যাম্পে ফেরার। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, সম্ভাবনাটা কেবলই কাগজে-কলমে। শেষ প্রায় এক মাসে যে জট লেগেছে সেটা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আপনা-আপনি খুলে যাবে কিংবা বার্সা-পিএসজি তাড়াহুড়ো করে একে অপরের সিদ্ধান্ত মেনে নেবে, সেটা মনে করাই হবে বোকামি। আর নেইমার তা ননও।
তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই পিএসজিতে থাকার সিদ্ধান্তই নিতে হচ্ছে তাকে। ব্রাজিলিয়ান তারকার ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের বরাতে লে’কিপে রোববারের সংস্করণে ছেপেছে ‘সে কুয়েডা’ অর্থাৎ, নেইমার থাকছে! সেই ঘনিষ্ঠরাই জানাচ্ছেন, বার্সা-পিএসজির দর কষাকষিতে হতাশ হয়েছেন এ ফরোয়ার্ড। তাই আপাতত প্যারিসে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
এবারকার মতো হতাশ হলেও নেইমারের মনের আশা পূর্ণ হতে পারে আগামী শীতকালীন দলবদলে। লে’কিপে বলছে, নতুন বছরের শুরুতে নেইমারের জন্য আবারও ঝাঁপাবে বার্সা। আর নেইমার তো আছেনই। পুরনো ক্লাবে ফেরার জন্য কতটা মরিয়া হয়ে আছেন ২৭ বছর বয়সী তারকা তার একটা নমুনা দিয়েছেন কাতালান ক্রীড়া সাংবাদিক জোয়াকিম পিয়েরা।
জোয়াকিমের দেয়া তথ্য মতে, পিএসজির হাঁকানো দরের কাছে যখন কোনভাবেই পেরে উঠছে না বার্সা, তখন নাকি নিজ পকেট থেকে ২০ মিলিয়ন ইউরো দিতে চেয়েছেন নেইমার, যাতে সে অর্থ যোগ করে তাকে কিনতে পারে স্প্যানিশ ক্লাবটি! কিন্তু পিএসজি ডিরেক্টর লিওনার্দো প্রত্যাখ্যান করায় সেটা সম্ভব হয়নি।








