জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ব্লগার এবং অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নাজিমুদ্দিন সামাদকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের করা অবরোধ ও বিক্ষোভের কারণে ৪ ঘন্টা অচল হয়েছিল পুরান ঢাকা।
আল্টিমেটাম দিয়ে দিনে কর্মসূচি শেষ করলেও রোববার থেকে শিক্ষার্থীরা আবার অবস্থান ও ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করবে।
নিহত নাজিমুদ্দিনের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে, নিহত নিজামুদ্দিনকে প্রথমে কুপিয়ে আহত করা হয় ও পরে গুলি করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে হত্যাকারীরা।
সিলেটের সুনামগঞ্জ থেকে তার পরিবার ঢাকায় এলে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার লাশ হস্তান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।
নিহত নাজিমুদ্দিন সামাদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সান্ধ্যকালীন ছাত্র ছিলেন। পাশাপাশি তিনি বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব পরিষদের সিলেট জেলা শাখার তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ছিলেন।
লক্ষ্মীবাজারের কাছের একটি মেসে থাকতেন নাজিম। রাতে আরও তিন বন্ধুকে নিয়ে ভিক্টোরিয়া পার্কের উদ্দেশ্যে বের হলে ঋষিকেশ দাশ লেনে অজ্ঞাত যুবকরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এরপর খুব কাছ থেকে দুই রাউন্ড গুলিও করে তারা। হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয় নাজিমুদ্দিনের।
নাজিমুদ্দিনের মৃত্যুতে উত্তাল ও অচল পুরান ঢাকার পরিস্থিতি দেখুন ছবিতে।

















