ওমিক্রন ধরন শনাক্তে নাক থেকে সংগৃহীত নমুনায় বিশ্বাসযোগ্য ফলাফল না আসার সম্ভাবনার কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞগণ। এন্টিজেন টেস্টের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃত নিরাপদ পদ্ধতিতে গলা থেকেও নমুনা সংগ্রহ করার কথা বলেছেন সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞরা।
যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) বলছে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ব্যক্তির নিজেই গলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা যেতে পারে।
ওমিক্রন ধরনে ভাইরাস নাকে পৌঁছানোর আগে গলা ও মুখের লালায় অবস্থান করে। সুতরাং নাকের রসে ইনজেকশন অনেক সময় খুঁজে পাওয়া যায় না বলে হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক জনস্বাস্থ্য বিজ্ঞানী ডা. মিশেল মিনা’র বরাতে জানিয়েছে নাইজেরিয়া অন ২৪ নামে একটি সংবাদ মাধ্যম।
একটি গবেষনায় তারা দেখতে পান, ওমিক্রন ধরনে আক্রান্ত ২৯ জন শ্রমিকের র্যাপিড করোনার টেস্টের কমপক্ষে তিন দিন আগে পিসিআর টেস্টে ওমিক্রন ধরন শনাক্ত হয়েছে।
গবেষণাটির ব্যবস্থাপক ব্লিথ এডামসন জানান, র্যাপিড এন্টিজেন টেস্টে তাদের করোনা নেগেটিভ আসলেও তারা করোনা বিস্তারে ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশেষজ্ঞগণ এ কারণে নাক থেকে সংগৃহীত নমুনার আগে গলার নমুনা পরীক্ষার প্রতি জোর দিয়েছেন।
তবে নমুনা সংগ্রহের ব্যাপারে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বনের প্রতি জোর দিয়েছে সংস্থাটি। নাকের চেয়ে গলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করাটা অনেক বেশি জটিল। কোন রকম ভুল হলেই রোগীর ক্ষতি হতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তারা।
মিনা বলেন, এফডিএ’র অনুমোদনের আগে প্রস্তুতকারকরা গলা থেকে করোনা নমুনা সংগ্রহের কিটের কার্যকারিতা নিয়ে পরীক্ষা চালাতে পারে।
এ ধরনের টেস্ট কিট ব্যবহারের ক্ষেত্রে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বনের জন্য এফডিএ’র গাইডলাইন অনুসরণ করা জরুরি। অবশ্যই বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতিতে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে মন্তব্য করে সংস্থাটি।








