যুক্তরাষ্ট্রের বিওয়ানবি ল্যান্সার বোমারু ও যুদ্ধবিমান শনিবার নর্থ কোরিয়া পূর্ব উপকূল দিয়ে উড়ে গেছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন। নর্থ কোরিয়ার একটি পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রের কাছে পিয়ংইয়ং আবারও পরমাণু বোমার পরীক্ষা চালিয়েছে এমন সন্দেহে সামরিক শক্তির মহড়া দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নর্থ কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচির কারণে সৃষ্ট গুরুতর হুমকি মোকাবিলায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে যে অনেক সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ রয়েছে, তা দেখানোর জন্যই এই মহড়া।
নর্থ কোরিয়া সরকার ও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত এ মহড়া এবং এর আগে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ট্রাম্পের দেয়া ভাষণের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। শনিবার পিয়ংইয়াংয়ে এজন্য আমেরিকাবিরোধী বিশাল এক র্যালিরও আয়োজন করা হয়।

নর্থ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রি ইয়োং হো আবার জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বলেছেন, তাদের নেতা কিম জং উনকে ‘রকেট ম্যান’ বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঠাট্টা আমেরিকার জন্য একটা ‘আত্মঘাতী মিশন’ ছাড়া কিছুই নয়।
তিনি বলেন, কিমকে এভাবে অপমান করে ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত ও হামবড়া মনোভাবে পরিপূর্ণ’ ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিতে নর্থ কোরিয়ার রকেটের আঘাত হানাকে ‘অবশ্যম্ভাবী’ করে তুলেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘে নর্থ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে ‘আত্মঘাতী মিশনে নামা রকেট ম্যান’ বলে বিদ্রুপ করেন। এ-ও বলেন, নিজেকে এবং নিজের বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকে রক্ষা করতে যুক্তরাষ্ট্রকে বাধ্য করা হলে তিনি নর্থ কোরিয়া পুরোপুরি ধ্বংস করে দেবেন।

ট্রাম্পকে তার এই ভাষণের জন্য চরম মূল্য দিতে হবে বলেও হুমকি দেন রি ইয়োং হো। এই ভাষণের জবাবে শনিবারই এক টুইটবার্তায় ট্রাম্প বলেছেন, রি ইয়োং এবং কিম জংয়ের বেশিদিন আর অস্তিত্ব থাকবে না যদি তারা এসব বাদানুবাদ চালিয়ে যেতে থাকেন।







