একের পর এক বিতর্ক জন্ম দিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টিয়াল নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশী ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। এরপর তার নির্বাচনী সমাবেশ থেকে হিজাব পড়া এক নারীকে বের করে দিয়ে সেই সমলালোচনায় আরো ঘি ঢালেন।
এবার নর্থ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং-উনের প্রশংসা করে আবারও সংবাদের শিরোনাম ট্রাম্প। ব্যবসায়ী এই ধনকুবের বলেন, এতো অল্প বয়সে কিম যেভাবে ক্ষমতা ধরে রেখেছেন সে জন্য তাকে ‘কৃতিত্ব’ দিতেই হবে। তবে প্রশংসার পাশাপাশি কিমকে এক ধরনের ‘উম্মাদ’ বলেও উল্লেখ করেন বিতর্কিত ট্রাম্প।
নর্থ কোরিয়ার হাইড্রোজেন বোমা পরীক্ষা পর পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে এর কড়া প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এর মধ্যেই আবার নর্থ কোরিয়া প্রেসিডেন্টের প্রশংসা করে বসলেন ট্রাম্প।
পিতার মৃত্যুর পর মাত্র ২৫ বছর বয়সে ক্ষমতা নেন কিম। আইওয়া অঙ্গরাজ্যে এক নির্বাচনী র্যালিতে ট্রাম্প বলেন, ‘একজন ২৫-২৬ বছর বয়সী তরুণ পিতার মৃত্যুর পর কঠিন সময়ে যেভাবে ক্ষমতা টিকিয়ে রেখেছে, সেজন্য তাকে কৃতিত্ব দিতেই হবে।’
র্যালি শেষে স্কাই নিউজকে ট্রাম্প বলেন, এটা প্রমাণ রয়েছে যে, কিম যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো গেম খেলছে না। যুক্তরাষ্ট্রও তার সঙ্গে গেম খেলছে না। যদিও তার কাছে সত্যিই মিসাইল রয়েছে।
মাত্র ২৮ বছর বয়সে নিজেকে রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতাধারী ঘোষণা করেন কিম। এরপর ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে নিজের ফুফাকে পর্যন্ত হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কথিত আছে, ওই ফুফার ছেলে-মেয়ে ও নাতি-নাততিদেরও হত্যা করেছেন কিম।
কিমই প্রথম বিতর্কিত নেতা নন যার এই রকম প্রশংসা করা হলো। এর আগে মুসলিম ইস্যুতে বিতর্ক জন্ম দেওয়ার পর ট্রাম্পকে ‘একজন খুবই অসাধারণ নেতা’ ও ‘সন্দেহাতীত প্রতিভাবান’ হিসেবে প্রশংসা করেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।







