নর্থ কোরিয়ার দুই দফায় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জবাব দেয়ার প্রস্ততি নিচ্ছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। গত ১৫ এপ্রিল এবং গেলো বৃহস্পতিবার দুটি মধ্যম পাল্লার ‘নুসুডান’ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপনের পর এই হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ও
চীন।
তবে পর্যবেক্ষকরা বলছেন, নর্থ কোরিয়ার সাম্প্রতিক মিসাইল
উৎক্ষেপনগুলোর কোনোটিই সফলতার মুখ দেখেনি। কিন্তু এরপরও আন্তর্জাতিক
নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের দায়ে নর্থ কোরিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে
বলে জাতিসংঘের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন।
৪০ বছর পর আসছে মে মাসে নর্থ কোরিয়ার ক্ষমতাসীন ওয়াকার্স পার্টির জাতীয় কংগ্রেসকে সামনে রেখে পরমাণু বোমা এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যস্ততা শুরু হয়েছে কিম জং উনের প্রশাসনে।
নর্থ কোরিয়ার এই পরমাণু-ক্ষেপণাস্ত্র খেলাকে ভালো ভাবে দেখছে না নর্থের ঘনিষ্ঠ মিত্র চীন।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, ‘কোরিয় উপদ্বীপ চীনের নিকট প্রতিবেশি অঞ্চল। এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চীন বদ্ধপরিকর। তাই এই অঞ্চলে কোনোরকম যুদ্ধ বাঁধতে দেয়া যাবে না’।
দীর্ঘ দিন ধরেই উচ্চাকাঙ্ক্ষি সামরিক কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে নর্থ কোরিয়া। সম্প্রতি হাইড্রোজেন বোমা তৈরির দাবি করে বসে নর্থ।
পাশাপাশি পরমাণু বোমা এবং মধ্যম পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল টেস্টের পর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ে নর্থ কোরিয়া।







