ফুটবলের কারণে ১৬ বছর বয়সে ঘর ছেড়েছেন আর্লিং হালান্ড। এরপর বিভিন্ন সময়ে নরওয়ের বাড়িতে ফিরেছেন ,তবে তা স্রেফ অতিথির মতো। তাই পুরো সময়টুকুই উপভোগ করার চেষ্টা করেন নরওয়েজী স্ট্রাইকার। এমনকি বাড়িতে ফিরলে ডায়েটের কথা ভুলে যান ২১ বর্ষী এ ফরোয়ার্ড।
হুই ঝি ওয়াং নামে এক চাইনিজ রেস্টুরেন্টের মালিক জানান, ‘এই রেস্টুরেন্টেই বেড়ে উঠেছেন আর্লিং। ছোটবেলা থেকেই পরিবারের সাথে এখানে আসতেন তিনি। ব্রাইনে আসলে এখনও এখানে আসেন তিনি। তার পছন্দের খাবার টক-মিষ্টি চিকেন।’
‘আর্লিং বরাবরই অনেক নম্র-ভদ্র। চিন্তাই করা যায় না, তিনি এত বড় মাপের ফুটবলার। ফ্যানরা মাঝ মাঝেই তার কাছে অটোগ্রাফ চান। তবে কখনো তাকে ব্যাপারটি নিয়ে বিরক্ত হতে দেখিনি। তার অর্জনে আমরা গর্বিত। ইংল্যান্ডে তিনি আরও ভালো করুক।’
ইয়ামি টাইম নামে আরেকটি একটি রেস্টুরেন্টে হালান্ড প্রায়ই যান বলে জানা গেছে। কঠোর ডায়েটে থাকা এই ফরোয়ার্ড সেখানে নরওয়ের বিখ্যাত কাবাব পিজ্জা খান বলে জানিয়েছে রেস্টুরেন্টটির মালিক।
আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মধ্যদিয়ে বুধবার হালান্ডকে দলে টেনেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগৈর ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি। মৌসুম জুড়েই আলোচনার টেবিল গরম করে রেখেছিলেন নরওয়েজিয় তারকা। বার্সা-রিয়াল হয়ে তাকে দলে টানার গুঞ্জনের তালিকা থেকে বাদ পড়েনি পিএসজির মতো দলও। তালিকায় ছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও বায়ার্ন মিউনিখের নামও। তবে অবশেষে সিটিতেই নোঙ্গর ভিড়িয়েছেন ২১ বর্ষী তরুণ।








