অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে গ্রুপপর্বেই ছিটকে যাওয়ার শঙ্কা ছিল ভারত যুবাদের। ধাক্কা সামলে বর্তমান যুব বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশকে সেমিতে হারায় তারা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফাইনালকে একতরফা বানিয়ে ঘরে তুলেছে অষ্টমবারের মতো এশিয়া সেরার মুকুট।
দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ১০৭ রানের লক্ষ্য দেয় লঙ্কান যুবারা। পরে ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়মে কমে আসা লক্ষ্যে অংকৃষ রঘুবংশীর ফিফটি ও সাইখ রাশিদের ব্যাটে ৯ উইকেট ও ৬৩ বল হাতে রেখে বড় জয় পায় ভারত যুবারা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: শ্রীলঙ্কা ৩৮ ওভারে ১০৬/৯; ইয়াসিরু রদ্রিগো ১৯, রাভিন ডি সিলভা ১৫; ভিকি অস্তওয়াল ৮-৩-১১-৩। ভারত ২১.৩ ওভারে ১০৪/১ অংকৃষ রঘুবংশী ৫৬, সাইখ রাশিদ ৩১; ইয়াসিরু রদ্রিগো ৩-১-১২-১।
এ নিয়ে নবমবারের মতো বসল যুব এশিয়া কাপ আসর। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের এশিয়া সেরা হওয়ার লড়াইয়ে আধিপত্য ভারতের। শ্রীলঙ্কাকে হারানোর মধ্য দিয়ে আটটি শিরোপা নিজেদের করেছে তারা। ২০১৭ সালে কেবল আফগান যুবারা জিতেছিল একটি ট্রফি। ভারতের কাছে যুব এশিয়া কাপ ফাইনালে এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো শিরোপা খোয়াল লঙ্কান যুবারা।
শিরোপা লড়াইয়ে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই খেই হারায় লঙ্কানরা। ৩৮ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে টপঅর্ডার ও মিডল অর্ডারের ব্যাটাররা আসা-যাওয়ার মাঝেই থাকেন।

দলীয় ৪৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলা দলকে মাঝে কিছুটা পথ দেখান সাদিসা। ৩৬ বলে অস্তওয়ালের বলে ফেরার আগে করেন ১৪ রান। এরপর আবারও পুরনো রূপে চলে লঙ্কানদের ইনিংস।
অষ্টম উইকেট জুটিতে রাভিন-ইয়াসিরুর ব্যাটে শতরান পেরোনোর উপলক্ষ পায় শ্রীলঙ্কা। টেলএন্ডার রাভিন ১৫ করে ফিরলে শেষ পর্যন্ত থাকেন ইয়াসিরু। ১০৬ রানে ইনিংস থামার আগে তার অবদান ২ চারে সর্বোচ্চ ১৯ রান। নবম উইকেটে নামা পাথিরানা করেন ১৪ বলে ১৪ রান।
ভারত যুবাদের হয়ে শিরোপা ছোঁয়ার কাজটা এগিয়ে রাখেন ভিকি। ৮ ওভারে মাত্র ১১ রানের বিনিময়ে তুলে নেন মূল্যবান ৩টি উইকেট। দুটি উইকেট নিয়ে লঙ্কানদের ধ্বসাতে সাহায্য করেন কুশল টিম্বে।
৩২ ওভারে ১০২ রানের লক্ষ্যে শুরুটা ভালো পায়নি ভারত যুবারা। দলীয় ৮ রানের মাথায় ফেরেন হারনুর সিং (৫)। এরপরের গল্পটা লিখেছেন রঘুবংশী ও রাশিদ। দুজনের অবিচ্ছিন্ন ৯৬ রানের জুটিতে শিরোপা উদযাপনে মাতে ভারত।








