নতুন বছরে পূর্ণ উদ্যোম নিয়ে দেশে মাদক ও জঙ্গি নির্মূলে কাজ করবে র্যাব। এর জন্য নতুন বছরের জানুযারীর শেষ সপ্তাহে কক্সবাজারে গঠন করা হবে র্যাবের একটি স্থায়ী ব্যাটালিয়ন। এতে মাদক চোরাচালান বন্ধ করা সম্ভব হবে।
সোমবার রাতে রাজধানীর গুলশান-২ চত্বরে থার্টি ফার্স্টের রাতের নিরাপত্তা বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান র্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ।
র্যাব ডিজি বলেন, নতুন সরকার গঠন করার পর মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে র্যাব কাজ শুরু করবে। নতুন বছরে নতুন উদ্যোমে মাদক ও সন্ত্রাস দেশ থেকে নির্মূল করাই হবে আমাদের লক্ষ্য। এই জন্য কক্সবাজার এলাকায় র্যাবের একটি স্থায়ী ব্যাটালিয়নের গঠন করা হবে। এই প্রক্রিয়া জানুয়ারি শেষ সপ্তাহের দিকে শেষ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
ইংরেজি নবর্ষের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন: ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে আমাদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে সারাদেশে। যদিও এর আগেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের বিষয়টি সামনে রেখে থার্টি ফাস্ট নাইটের অনুষ্ঠান না করার জন্য আহ্বান জানিয়ে ছিলেন। নাগরিকরা এই আহ্বানে সারা দিয়েছেন। সারা দেশে বড় ক্লাব থেকে শুরু করে কোনো জায়গায়ই অনুষ্ঠান হচ্ছে না। এ জন্য নাগরিকদের আমরা ধন্যবাদ জানাই।
নতুন বছর অনেক প্রোডাক্টটিভ হবে বলেও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন র্যাব ডিজি।
তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। নির্বাচনের দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানের থেকে সরে আসতে হয়েছে। তবে নতুন বছর থেকে আমরা আবারও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করবো।
নির্বাচনে জনমানুষ শান্তিপূর্ণ ভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। নির্বাচনী পরবর্তী সময় যাতে কোনো সহিংসতা না ঘটে সেজন্য র্যাব মাঠে কাজ করছে। আমাদের নজরদারি রয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তা দিতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি।
আশা করছি কোনো সহিংসতা ঘটবে না। নিজ দলের মধ্যেও যাতে কোনো সহিংসতা না হয় সেজন্য সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি।
এদিকে গুলশান -২ চত্বরে র্যাবের চেক পোষ্ট স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রয়েছে র্যাবের চেক পোস্ট। সেখানে আর্মড পারসোনাল কেরিয়ার (এপিসি), ডগ স্কোয়াড রয়েছে। র্যাবের স্পেশাল ফোর্সও থার্টি ফার্স্টের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করছে। গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি চালাতে দেখা গেছে।







