ইংল্যান্ডের মাটিতে গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনাল খেলেছে বাংলাদেশ। ২০১৯ বিশ্বকাপও হবে ইংল্যান্ডে। টাইগারদের নতুন কোচ স্টিভ রোডসও একজন ইংলিশ। তার আমলে আগের অর্জন ছাপিয়ে মাশরাফী-সাকিবরা বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলবে, এমন স্বপ্নের কথাই বলছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার হেড কোচের দায়িত্ব পেয়েছেন রোডস। কাজ শুরু করবেন ২০ জুনের মধ্যে। তার প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ। আর বিশ্বকাপের আগে দল গোছাতে সময় পাবেন এক বছর। সেই সময়টা কাজে লাগিয়ে ইংল্যান্ডে বড় সাফল্যের জন্য প্রস্তুত করতে চান বাংলাদেশ দলকে।
ধানমন্ডিতে বিসিবি সভাপতির কাছে সাক্ষাতকার দিতে এসে বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে নিজের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন রোডস। সেটি মনঃপুত হওয়ায় বিলম্ব না করে রোডসকে সঙ্গে নিয়েই নাজমুল হাসান ঘোষণা দেন নতুন কোচ হিসেবে তাকে নিয়োগের কথা।
বিসিবি সভাপতির পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রোডস বললেন, ‘কিছুক্ষণ আগেই বোর্ড সভাপতিকে বলছিলাম, বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বেশ ভালো করেছে। প্রমাণ করেছে ইংলিশ কন্ডিশনে তারা খেলতে জানে। সেমিফাইনালে পৌঁছাতে ছেলেরা দুর্দান্ত লড়েছে। আমরা যদি সেখানটায় আরেকবার পৌঁছাতে পারি তাহলে ফাইনাল কেনো নয়। আগামী বিশ্বকাপ হবে বাংলাদেশের জন্য দারুণ এক মঞ্চ।’
‘আমি সবার উদ্দেশ্যে বলতে চাই, বাংলাদেশের মতো দারুণ এক ক্রিকেট খেলুড়ে দেশের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি গর্বিত। বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশ যে সমর্থন পেয়ে আসছে সেটা অসাধারণ। এমন বড় পদে নিয়োগ দিয়ে বিসিবি আমাকে সম্মানিত করেছে।’ -যোগ করেন রোডস।
কাউন্টি দল উস্টারশায়ারের হয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন ৫৩ বছর বয়সী রোডস। ২০১৬ সালে ইংল্যান্ড দলের বাংলাদেশ সফরের আগে সে দেশে অ্যালিস্টার কুকদের অনুশীলনে সহায়তা করেছিলেন তিনি।







